পুবের কলম প্রতিবেদক: বিনামূল্যে মহিলাদের জরায়ু ক্যানসারের ভ্যাকসিন দেবে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। সরকারিভাবে বিনামূল্যে টিকা দেওয়া হচ্ছে, বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনও কারণ দেখিয়ে এক পয়সাও গ্রাহকের কাছ থেকে নিতে পারবে না। আর রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন চিকিৎসক মহল। স্বাস্থ্য দফতরের গাইডলাইনে বলা হয়েছে, বিনামূল্যে টিকা দিতে ইচ্ছুক বেসরকারি হাসপাতালকে, সর্বাধিক সপ্তাহের দুটি দিন তারা কবে এই টিকা দিতে পারবেন সে বিষয়ে আবেদন জানাতে হবে সংশ্লিষ্ট জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের। টিকা দেওয়ার দিন আগে থেকে কোল্ড চেইন থেকে সংগ্রহ করতে হবে।

টিকা সংগ্রহ ও সেশন শেষে অব্যবহৃত, খোলা, ফাঁকা বা বাতিল ভায়াল ফেরত দেওয়ার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের।

বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে, টিকাকরণ প্রক্রিয়া শুরুর আগে চিকিৎসক, নার্স, ভ্যাক্সিনেটর ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের রুটিন ইমিউনাইজেশন সংক্রান্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে এই প্রক্রিয়া করতে হবে। পাশাপাশি এই নিয়ে পোর্টালে তথ্য নথিভুক্তকরণের জন্য হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক। টিকাদান কক্ষ হতে হবে আলোক-বাতাস চলাচল উপযোগী এবং হাত ধোয়ার ব্যবস্থা থাকতে হবে।
টিকা নেওয়ার পর প্রত্যেক উপভোক্তাকে অন্তত ৩০ মিনিট পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে।

প্রত্যেক টিকাদান কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন একজন মেডিক্যাল অফিসার। ভায়াল খোলার তারিখ-সময় উল্লেখ, পরীক্ষা, ৪ ঘণ্টা পর পুনর্গঠিত টিকা বাতিল, ইমিউনাইজেশন কার্ড প্রতিদিন ড্ড-জ্জঞ্ছ আপডেট করতে হবে। কীভাবে ভ্যাকসিন আনা হবে এবং তার সংরক্ষণ করা হবে। তার সঠিক নির্দেশ মানতে হবে।

সেশন শেষে সমস্ত ভায়াল কোল্ড চেইন পয়েন্টে ফেরত পাঠাতে হবে এবং রেজিস্টার প্রতিদিন আপডেট রাখতে হবে। বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে এইচপিভি ভ্যাকসিন দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও ধরনের অনিয়ম হলে, রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর প্রয়োজনে ভ্যাকসিনেশন সাইট-এর অনুমতি স্থগিত করে দেবে। এই নিয়ে ইতিমধ্যে কেন্দ্র স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ছাড়পত্র মিলেছে। এই বিষয়ে বিশিষ্ট গাইনোলজিস্ট শায়েস্তা আবরার জানান, রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগ ভালো। এতে সাধারণ মানুষের সুবিধা হবে।