পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: আসন্ন বকরি ঈদকে কেন্দ্র করে উত্তরপ্রদেশ জুড়ে নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক নজরদারি জোরদার করার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। রবিবার রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে এক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ঈদে প্রকাশ্য স্থানে বা রাস্তায় কোনও রকম পশুর ধর্মীয় কোরবানি বা কুরবানি দেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, রাস্তা অবরোধ বা বন্ধ করে কোনও অবস্থাতেই নমাজ পাঠের অনুমতি দেওয়া যাবে না। নমাজ কেবল নির্দিষ্ট স্থান বা ঈদগাহেই আদায় করতে হবে।

রবিবারের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দেন, পূর্ব-নির্ধারিত এবং চিহ্নিত জায়গা ছাড়া অন্য কোথাও কুরবানি দেওয়া যাবে না।

উৎসবে কোনও নতুন প্রথা বা নিয়মের সূচনা করা যাবে না। একই সঙ্গে দেশে আইনত নিষিদ্ধ পশুর কুরবানির ওপর যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তা কঠোরভাবে কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ওপর জোর দিয়ে যোগী আদিত্যনাথ বলেন, “প্রতিটি জেলায় কুরবানির পর পশুর বর্জ্য পদার্থ বা আবর্জনা নিষ্কাশনের জন্য একটি সুপরিকল্পিত ও সুসংগঠিত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। যাতে সাধারণ মানুষের কোনও সমস্যা না হয়।”

পাশাপাশি, খোলা জায়গায় মাংস বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি সাফ জানান, রাজ্যে কোনও বেআইনি কসাইখানা চলতে দেওয়া হবে না। এমনকি লাইসেন্সপ্রাপ্ত কসাইখানাগুলিতেও নির্ধারিত ক্ষমতার অতিরিক্ত পশু রাখা যাবে না। বিদ্যুৎ সরবরাহ, জনস্বাস্থ্য-পরিচ্ছন্নতা এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আধিকারিকদের চব্বিশ ঘণ্টা সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনকে মূলত যে পদক্ষেপগুলি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী স্পর্শকাতর জেলার জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের নির্দেশ দিয়েছেন, অতীতের ঘটনাগুলি খতিয়ে দেখে সম্ভাব্য উস্কানিদাতা বা সমাজবিরোধীদের চিহ্নিত করতে হবে এবং প্রয়োজনে তাদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই প্রতিরোধমূলক আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।