পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ পশ্চিম এশিয়ায় উত্তপ্ত পরিস্থিতির জেরে জ্বালানি সঙ্কটের আশঙ্কা ক্রমশ বাড়ছে। ইরান ও আমেরিকার সংঘাত ঘিরে বিশ্ববাজারে তেলের জোগান কমেছে। তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতেও। এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি সাশ্রয়ের বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
তিনি সাধারণ মানুষকে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি একাধিক মানুষ মিলে একই গাড়িতে যাতায়াত এবং গণপরিবহন ব্যবহারের উপরও জোর দিয়েছেন । প্রধানমন্ত্রীর সেই বার্তার পরই প্রথম বড় পদক্ষেপ নিল উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ-এর সরকার।আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, উত্তর প্রদেশে "নো ভেহিকেল ডে" চালু করা করা হয়েছে।
এই নির্দেশ অনুযায়ী, সপ্তাহে নির্দিষ্ট একদিন মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক এবং অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের ব্যক্তিগত গাড়ি বা কনভয় ব্যবহার করা যাবে না। সেই দিন তাঁদের গণপরিবহনে যাতায়াত করতে হবে। তবে বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবহারে কোনও নিষেধাজ্ঞা থাকছে না। একই সঙ্গে সাইকেল ব্যবহার এবং একাধিক যাত্রী নিয়ে একই গাড়িতে যাতায়াতের উপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সুত্রের খবর, উত্তর প্রদেশের এই সিদ্ধান্তের পর অন্য বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিও একই পথে হাঁটার কথা ভাবছে। পশ্চিমবঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।আরও পড়ুন:
শুধু যানবাহন ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণই নয়, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যেও একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী সরকারি দপ্তরে যতটা সম্ভব বাড়ি থেকে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন। সেই অনুযায়ী উত্তর প্রদেশ সরকারের সচিবালয় এবং বিভিন্ন দফতরের অন্তত অর্ধেক বৈঠক অনলাইনে করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। এছাড়াও প্রশাসনিক স্তরে খরচ কমাতে মুখ্যমন্ত্রী নিজের কনভয়ের গাড়ির সংখ্যা অর্ধেক করেছেন। একই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মন্ত্রী ও শীর্ষ আমলাদের ক্ষেত্রেও।