পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়া হিংসার ঘটনা নিয়ে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলো তৃণমূল কংগ্রেস। মঙ্গলবার দলের পক্ষ থেকে এই মর্মে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন আইনজীবী তথা উত্তরপাড়া কেন্দ্রের বিদায়ী তৃণমূল প্রার্থী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি গ্রহণ করেছে। আগামী বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও পড়ুন:
তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্র শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ৪ মে ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের পরিস্থিতি উত্তপ্ত।
তাঁর দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের প্রায় ২ হাজার সমর্থক আক্রান্ত হয়েছেন এবং দলের ৩৬৫টি পার্টি অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। দ্রুত শান্তি ফেরাতে এবং নিরপেক্ষ সংস্থাকে দিয়ে এই হিংসার তদন্ত করাতে আদালতের হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করেছেন তিনি।আরও পড়ুন:
এদিকে রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এক্স হ্যান্ডলে তিনি দাবি করেন, সপ্তগ্রামের সোমনাথ আচার্য এবং চাকদহের তপন সিকদার বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। বিজেপিকে আক্রমণ করে অভিষেক লেখেন, “মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।
পুলিশ এখন নিষ্ক্রিয়, আদালত নীরব দর্শক, বিজেপি নেতারা উৎসবে মত্ত আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিখোঁজ। সাধারণ মানুষকে বিজেপির প্রতিহিংসার রাজনীতির ফল ভোগ করতে হচ্ছে।” তিনি প্রশ্ন তোলেন, বিজেপি জমানায় তৃণমূল করা কি অপরাধ?আরও পড়ুন:
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই আক্রমণের কড়া জবাব দিয়েছে শাসকদল বিজেপি। দলের মুখপাত্র বিমলশঙ্কর নন্দ বলেন, “২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল যে নৃশংস সন্ত্রাস চালিয়েছিল, অভিষেক কি তা ভুলে গিয়েছেন? তখন বিজেপি কর্মীদের খুন ও মা-বোনেদের ওপর নির্যাতনের সময় তিনি কোথায় ছিলেন?”