পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ হায়দরাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়েইসি এবং তাঁর দলকে ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক আক্রমণ শানালেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নিতেশ রানে। ওয়েইসির নেতৃত্বাধীন দলকে সরাসরি জঙ্গি সংগঠন বলে কটাক্ষ করে সেটিকে নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছেন তিনি। পাশাপাশি কুখ্যাত জঙ্গি নেতা ওসামা বিন লাদেনের সঙ্গে ওয়েইসির তুলনা টেনে আরও বিতর্ক উসকে দিয়েছেন বিজেপি নেতা। সম্প্রতি নাসিকে তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার ধর্মান্তকরণ সংক্রান্ত মামলায় মূল অভিযুক্ত নিদা খানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

তদন্তে উঠে এসেছে, দীর্ঘদিন গা ঢাকা দিয়ে থাকা নিদা এবং তাঁর পরিবারকে আশ্রয় দিয়েছিলেন ওয়েইসির দলের এক জনপ্রতিনিধি। এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পরই সরব হন নিতেশ রানে।

সংবাদমাধ্যমের সামনে রানে দাবি করেন, ওয়েইসির দল মিম আসলে একটি জঙ্গি সংগঠন হিসেবে কাজ করছে। তাঁর কথায়,  "ওসামা বিন লাদেন যেমন একটি আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের মাধ্যমে কার্যকলাপ চালাত,  ওয়েইসিও নিজের রাজনৈতিক দলকে ব্যবহার করে একই ধরনের কাজ করছেন।

দুজনের মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই।" এতেই থেমে থাকেননি মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, "সাংসদ হওয়ার পর ওয়েইসি দেশের জন্য কী ইতিবাচক কাজ করেছেন, সেটা মানুষ জানে না। তিনি শুধু বিভাজনের রাজনীতি করেন।
তাঁর দলের রাজনীতির মূল উদ্দেশ্যই উগ্রপন্থাকে উসকে দেওয়া।"

রানের অভিযোগ, ওয়েইসির দলের কার্যকলাপ দেশের নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। সেই কারণেই যেভাবে আগে একাধিক উগ্রপন্থী সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, ঠিক একইভাবে এই দলটির বিরুদ্ধেও কেন্দ্রের কড়া পদক্ষেপ করা উচিত বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, ধর্মান্তকরণ মামলার তদন্তে নাসিক পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল, শম্ভাজিনগর অপরাধ দমন শাখা এবং স্থানীয় পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে নিদা খানকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁকে নাসিকে নিয়ে যাওয়া হয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, পুলিশের চোখ এড়িয়ে লুকিয়ে থাকতে নিদাকে সহায়তা করেছিলেন ওয়েইসির দলের এক কাউন্সিলর মতিন প্যাটেল। তাঁর বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের হয়েছে।