পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ ছাব্বিশের নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিবের সঙ্কল্পগুলির অন্যতম হল অন্নপূর্ণা ভান্ডার এবং আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প। ফলে বিজেপি সরকার আসার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের চালু করা লক্ষ্মীর ভান্ডার বা স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প বন্ধ হতে পারে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল একাংশের মধ্যে। তবে এনিয়ে বিজেপি সরকারের অবস্থান কি? তা স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
আরও পড়ুন:
সরকার গঠনের পর আজ প্রথমবার নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী।
সেখান থেকেই তিনি আশ্বাস দেন পূর্বের কোনও প্রকল্প বন্ধ হবে না। এদিন শুভেন্দু স্পষ্ট ভাষায় বলেন, "কোনও সরকারি প্রকল্পের সুবিধা বন্ধ হবে না। ৩০ বছর আগেও কোনও সরকারি প্রকল্প চালু করা হলে তা বন্ধ করা হবে না। তবে সব ক্ষেত্রেই স্বচ্ছতা আনা হবে হবে।" একইসঙ্গে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, কোনও মৃত ব্যক্তিকে এই প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হবে না। এছাড়াও কোনও অভারতীয় এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকারের আমলে জনপ্রিয় প্রকল্প লক্ষ্মীভাণ্ডারে মহিলারা প্রতিমাসে দেড় হাজার টাকা করে পেতেন। আর তফশিলি জাতি ও উপজাতির মহিলারা পেতেন ১ হাজার ৭০০ টাকা করে ।অন্যদিকে, স্বাস্থাসাথীতে ৫ লক্ষ টাকার স্বাস্থ্যবিমা দেওয়া হত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের চালু করা আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের বিরোধিতা করেছিলেন ফলে বাংলায় এখনও পর্যন্ত এই প্রকল্প চালু করতে পারেনি বিজেপি। এদিন নতুন মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, আজ থেকেই বাংলা আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের অধীনে। পাশাপাশি এদিনের বৈঠকে আরও ৬ টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে শুভেন্দু জানান।
আরও পড়ুন:
এদিন শুভেন্দু জানান, যে ৩২১ জন বিজেপি কর্মী নিহত হয়েছে তাদের পরিবারের দায়িত্ব রাজ্য সরকারের। এছাড়াও, সীমান্তের জন্য বিএসএফকে ৪৫ দিনের মধ্যে কাঁটাতারের জন্য জমি হস্তানর করা হবে। কেন্দ্রের "বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও" "বিশ্বকর্মা যোজনা", "আয়ুষ্মান ভারতে"র মতো প্রকল্প আজ থেকে বাংলার সঙ্গে যুক্ত হল।
আরও পড়ুন:
শুভেন্দু ঘোষণা করেন, সরকারি চাকরিতে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা ৫ বছর বাড়ানো হবে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতাও বাংলায় লাগু করা হল। এছাড়াও বাংলার আইপিএস, আইএএসরা কেন্দ্রের প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারবেন। ক্যাবিনেট বৈঠকের পাশাপাশি রাজ্যে শান্তি শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিয়েও শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বুইথক করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই বৈঠকে ছিলেন, মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা, স্বরাষ্ট্রসচিব সংঘমিত্রা ঘোষ, রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা, কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ প্রমুখ।