পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ আজ শনিবার রাজ্যের নবমতম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। শপথ গ্রহনের পরেই আবেগঘন হয়ে পড়লেন মুখ্যমন্ত্রীর মা গায়ত্রী অধিকারী এবং বাবা শিশির অধিকারী। তাঁদের কথায়, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু শৈশব থেকেই শান্ত, সংযত আর নিজের জগতে ডুবে থাকা ছেলে। খুব বেশি আবদার করতেন না। এক কথায় একেবারে সুবোধ বালক বলতে যা বোঝায় তাই ছিলেন আজকের মুখ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুন:
মুখ্যমন্ত্রী ছেলের ছোটবেলার স্মৃতি মনে করতে গিয়ে গায়ত্রী দেবী জানান, শুভেন্দু বরাবরই স্বাবলম্বী ছিলেন।
নিজের কাজ নিজে করতেই বেশি স্বচ্ছন্দ ছিলেন। তবে কলেজে ওঠার পর থেকেই রাজনীতির প্রতি তাঁর দুর্বলতা তৈরি হয়। এরপর রাজনীতিতে চলে আসেন। বাবার রাজনৈতিক জীবন ও আদর্শই তাঁকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করেছিল। বাড়ির পরিবেশেই রাজনীতি নিয়ে আলোচনা চলত, আর সেখান থেকেই ধীরে ধীরে রাজনীতির পথে পা বাড়ান তিনি। মায়ের কথায়, রাজনীতির টানে শুভেন্দু এমন সব জায়গায় গিয়েছেন, যেখানে অনেকেই যেতে সাহস পেতেন না। রাজনৈতিক জীবনে তাঁকে একাধিকবার প্রাণনাশের চেষ্টার মুখেও পড়তে হয়েছে। কয়েকবার গুরুতর আক্রমণের শিকার হলেও প্রতিবারই তিনি ফিরে এসেছেন আরও দৃঢ় হয়ে।আরও পড়ুন:
তাঁর মা জানান, রাজনীতির বাইরে আরও একটি কাজ ভালোবাসেন মুখ্যমন্ত্রী। সেটা হল বাগানের কাজ। তিন শাবল বালতি হাতে নিয়ে পবাগান পরিচর্যা করতে ভালোবাসেন। গায়ত্রী জানান, বাড়ির সামনের বাগান থেকে শুরু করে ছাদে নানা সবজি ও ফুলের গাছ তাঁর যত্নেই বড় হয়েছে।
তবে এবার রাজ্যের গুরুদায়িত্ব শুভেন্দুর হাতে। এই অবস্থায় কোন কাজকে তাঁর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত সে বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর মা জানান, নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টিতেই প্রথম অগ্রাধিকার দিতে হবে। এছাড়া, অভয়ার মামলাও রিওপেন করা প্রয়োজন বলী তিনি মনে করেন।আরও পড়ুন:
এদিকে, রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর বাবা শিশির অধিকারীও ছেলের জন্য গর্বিত। তাঁর মতে ছেলে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার যোগ্য। এবং তিনি যোগ্য আসন পেয়েছেন। তবে তিনি মনে করেন, সুশাশন দিতে এবং সোনার বাংলা গড়তে অঙ্ক সময় লাগবে।