তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের জেরে এবার সংসদেও দূরত্ব বাড়ল ডিএমকে এবং কংগ্রেসের মধ্যে। লোকসভায় কংগ্রেসের পাশে আর বসতে চায় না ডিএমকে। এই মর্মে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়েছেন ডিএমকে সাংসদ কানিমোঝি।
আরও পড়ুন:
সূত্রের খবর, তামিলনাড়ুতে সরকার গঠনের প্রশ্নে কংগ্রেসের অবস্থানেই ক্ষুব্ধ ডিএমকে নেতৃত্ব। নির্বাচনের আগে এবং দীর্ঘদিন ধরেই কংগ্রেস তামিলনাড়ুতে ডিএমকের সঙ্গী ছিল।
সংসদেও বিজেপি-বিরোধী অবস্থানে একজোট হয়ে লড়াই করেছে দুই দল। কিন্তু সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কংগ্রেস নতুন দল টিভিকে-কে সমর্থন দেওয়ায় সম্পর্কের টানাপোড়েন প্রকাশ্যে চলে এসেছে।স্পিকারকে লেখা চিঠিতে কানিমোঝি জানিয়েছেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কংগ্রেসের সঙ্গে তাদের জোট আর কার্যত নেই। তাই লোকসভায় ডিএমকে সাংসদদের বসার জন্য আলাদা আসনের ব্যবস্থা করার আবেদন জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
বিরোধী শিবিরে ভাঙনের ইঙ্গিত হিসেবেই বিষয়টিকে দেখছেন অনেকে। বিশেষ করে বিজেপি শিবির এই পরিস্থিতিকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। কারণ, বিরোধী জোট দুর্বল হলে সংসদে কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থান আরও শক্তিশালী হতে পারে।আরও পড়ুন:
তবে এখনই ডিএমকে সাংসদদের আসন বদল নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি লোকসভা সচিবালয়। সংসদীয় নিয়ম ও বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়েই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন:
বর্তমানে লোকসভায় ডিএমকের সাংসদ সংখ্যা ২২। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংবিধান সংশোধনী বিলের বিরুদ্ধে কংগ্রেস, তৃণমূল, সমাজবাদী পার্টি-সহ বিরোধী দলগুলির সঙ্গে একজোট হয়ে ভোট দিয়েছিল ডিএমকে। সেই বিল পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছিল কেন্দ্র সরকার। কিন্তু এরপরই বিরোধী শিবিরে ফাটলের ইঙ্গিত সামনে আসতে শুরু করেছে।
আরও পড়ুন:
যদিও কংগ্রেসের একাংশের দাবি, টিভিকে-কে সমর্থনের মূল উদ্দেশ্য বিজেপি ও এআইএডিএমকে-কে ক্ষমতার বাইরে রাখা। রাজনৈতিক কৌশল হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তাদের বক্তব্য। তবুও ডিএমকের এই পদক্ষেপে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।