পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ বিপুল ভোটে জয়লাভ করে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে উত্থান হয়েছে অভিনেতা তথা বিজয় থালাপতির টিভিকে দলটি। প্রথমবার ভোটে লড়েই পেয়েছে ১০৮ টি আসন। কিন্তু সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাওয়ার পরেও সরকার গঠন নিয়ে জট তৈরি হয়েছে তামিলনাড়ুতে। সরকার গঠনকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে জোর টানাপোড়েন। এই আবহেই অভিনেতা-রাজনীতিক বিজয়ের দলকে ঘিরে উঠেছে গুরুতর অভিযোগ। অভিযোগ, রাজ্যপালের কাছে সরকার গঠনের দাবি জানাতে গিয়ে যে সমর্থনপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল, তা নকল।

এই অভিযোগ নিয়ে ইতিমধ্যেই পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছে এক প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক শিবির। 

জানা যাচ্ছে, এএমএমকে বিজয়কে সমর্থন করার কোথা অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, বিজয় রাজ্যপালের কাছে তাদের যে সমর্থন পত্র দেখিয়েছিলেন সেটা জাল।  এমএমএমকে-র একজন মাত্র বিধায়ক এস কামরাজ সেই সমর্থন করেছিলেন বলে দাবি টিভিকের। এই পরেই আইনি পথে হাঁটার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল এএমএমকে।  যদিও ওই দলের প্রধান সেই দাবি অস্বীকার করার পরেই পালটা ভিডিও প্রকাশ করেছে বিজয়ের দল।

তাতে দাবি করা হয়েছে, তাদের তরফে সমর্থনের জন্য যে চিঠি দেওয়া হয়েছিল সেটা মিথ্যে নয়। বিজয়ের শিবিরের বক্তব্য, বিরোধীরা রাজনৈতিক স্বার্থে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।

অন্যদিকে, এআইডিএমকে সরকার গঠনের সমর্থন পেতে রাজ্যপাল বিশ্বনাথ আরলেকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। সেখানে কামরাজকে দেখা যায়। এই অবস্থায় কামরাজ বিজয়কে সমর্থন  করবেন কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আর এবার বিজয়ের দলের বিরুদ্ধে দায়ের হল এফআইআর।

ফলে কামরাজের বিজয়কে সমর্থন করার দাবি ঘিরে প্রশ্নচিহ্ন জেগে ওঠে। আর এরপরই টিভিকে-র বিরুদ্ধে দায়ের হল অভিযোগ। তবে আরও একটি খবর পাওয়া যাচ্ছে, ডিএমকে ও এআইডিএমকে নাকি জোট বেঁধে তামিলনাড়ুতে ফের দ্রাবিড় দলের সরকার গঠন করতে উদ্যোগী হয়েছে। এই অবস্থায় সেখানেও শুরু হয়েছে ঘোড়া কেনাবেচার রাজনীতি। এই আবহে কংগ্রেস তাঁদের ৫ বিধায়ককে নাকি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বেঙ্গালুরতে। সব মিলিয়ে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এখন চলছে টান টান উত্তেজনা।