পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ সদ্য শপথ নিয়ে বঙ্গে বিজেপির প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর নিরাপত্তায় বাড়তি জোর দেওয়া হচ্ছে। রাজ্যসরকারের তরফে এমনিতেই নিরাপত্তা পাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কেন্দ্র সরকারের তরফেও তাঁর নিরাপত্তায় খামতি রাখা হচ্ছে না। ফলে তাঁর নিরাপত্তার জন্য রাজ্য পুলিশের পাশাপাশি থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

দুজন কেন্দ্রীয় বাহিনী তাঁর নিরাপত্তার জন্য মোতায়েন থাকবে বলে জানা যাচ্ছে। 

প্রসঙ্গত, বিজেপ্রি বিপুল জয়ের পর এবং শুভেন্দুর শপথ গ্রহনের আগে গত ৬ মে রাতে খুন হন তাঁর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ। তারপরেই মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার ওপর জোর দিতে চাইছে কেন্দ্র। প্রসঙ্গত, শুভেন্দু অধিকারী আগে থেকেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেয়ে আসছেন। ২০২০ সালে শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন।

তখন থেকেই তিনি কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেতে শুরু করেন। এরপর ২০২১ সালে নন্দীগ্রাম থেকে বিজেপির টিকিটে জয়ের পর তাঁকে করা হয় বিরোধী দলনেতা। তখন নিয়ম অনুযায়ী তৎকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার তাঁকে নিরাপত্তা দিতে চাইলে তিনি সেই নিরাপত্তা নিতে অস্বীকার করেন। 

এদিকে, বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন একাধিবার প্রাঙহাতী হামলার মুখোমুখি হন শুভেন্দু। এরপরেই তাঁকে জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হয়।

যদিও ঘনিষ্ঠ মহলের একাংশ জানাছেন, জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পেলেও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু নিরজের নিরাপত্তা ইয়ে বাড়াবাড়ি একেবারেই পছন্দ করেন না। তবুও, গত ৬ মে তাঁর আপ্ত সহায়ককে একেবারে বাড়ির কাছে যেভাবে দুষ্কৃতীরা গুলি করে খুন করে তাতে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়। তারপরেই তাঁর নিরাপত্তায় রাজ্য পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাস্ট্র মন্ত্রকের তরফে নিরাপত্তা পাওয়ার পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের নিরাপত্তা পাবেন মুখ্যমন্ত্রী। নবান্নের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী নিরাপত্তা নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি পছন্দ করেন না। তাঁর নিরাপত্তা এমনভাবে ঢেলে সাজানো হছে যাতে তাঁর কর্মসূচীতে কোনও রকমের অসুবিধা না হয় এবং তিনি যাতে বিরক্ত না হন।