পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: বিষমদ পানের মরণকামড় থেকে মুক্তি পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ। শুক্রবার রাতে বিহারের পূর্ব চম্পারণে চোলাই মদ খেয়ে অন্তত পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ১৫ জন। পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশের মিরাটে বিষমদ পান করে প্রাণ হারালেন মোট ৮ জন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও অনেকে।

প্রশাসন সূত্রে খবর, বিহারের পূর্ব চম্পারণ জেলায় শুক্রবার চোলাই মদ পানের জেরে অন্তত ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অন্তত ১৫ জন। জেলাশাসক সৌরভ জোরওয়াল অবশ্য সরকারিভাবে ৪ জনের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছেন।
 
কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে তুরকাউলিয়া থানার ওসি উমাশঙ্কর মানঝিকে তৎক্ষণাৎ সাসপেন্ড করেছেন পুলিশ সুপার শরণ প্রভাত। উল্লেখ্য, নীতীশ কুমার বিহারে মদ নিষিদ্ধ করার পর থেকেই চোরাপথে মদ বিক্রির রমরমা নিয়ে বিরোধীরা বারবার সরব হয়েছে।
এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে পূর্ব চম্পারণে এটি দ্বিতীয় বড় বিষমদ দুর্ঘটনা।
 
একই দিনে উত্তরপ্রদেশের মিরাটেও বিষমদের বলি হয়েছেন ৩ জন। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতেরা সকলেই দৌরালা থানা এলাকার বাসিন্দা। শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় একটি দোকান থেকে দেশি মদ কিনে খাওয়ার পরেই তাঁরা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁদের মৃত্যু হয়। মিরাটের সিনিয়র পুলিশ সুপার অবিনাশ পান্ডে জানিয়েছেন, "ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ স্পষ্ট হবে।" আবগারি দফতরের আধিকারিকরা নির্দিষ্ট দোকানটি থেকে মদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠিয়েছেন।