পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল ২ দশক আগে। বিয়ে বাড়ি থেকে ফেরার পথে খালে উলটে গিয়েছিল গাড়ি। অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও চারজনের দেহ উদ্ধার সম্ভব হয়নি। অবশেষে সেই চারজনের কঙ্কালের অংশ উদ্ধার হল ২৬ বছর পরে। ঘটনাটি পাঞ্জাবের কিরাতপুর সাহিবের নাক্কিয়ান গ্রামে। সেখানে ভাকরা খালে থেকে ৪ জনের কঙ্কাল উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে।

ঘটনাকে ঘিরে ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। যদিও যে দেহ উদ্ধারের জন্য ডুবুরি নামানো হয়েছিল সেই দেহ উদ্ধার হয়নি। 

পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে, খালে একজন ডুবে যায়। তার দেহ উদ্ধারের জন্য কমলপ্রীত সাইনি নামে একজন ডুবুরি নামে। যদিও ওই দেহ তিনি কোনওভাবেই খুঁজে পাননি। তবে পলির নিচে চাপা পড়ে থাকা গাড়ি অবশিষ্টাংশ দেখতে পান।

তাতে পোশাকের ছেঁড়া অংশও চোখে পড়ে তাঁর। এরপর সেই গাড়ির ভিতর থেকেই কঙ্কালের অবশিষ্টাংশ উদ্ধার করেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ট্রাক্টরের সঙ্গে দড়ি বেঁধে গাড়িটি জল থেকে টেনে উদ্ধার করে মাটিতে তোলা হয়। পুলিশ সুত্রের খব্র অনুযায়ী,  গাড়ি থেকে মানুষের শরীরের ৭-৮টি হাড়ের টুকরো পাওয়া গিয়েছে। এক শিশুর জামার ছেঁড়া অংশও উদ্ধার হয়েছে বলে খবর।  

এরপর পুলিশ ঘটনায় তদন্তে নেমে জানতে পারে, ২০০০ সালে অক্টোবরে কিরাতপুর সাহিবের কোটলা গ্রামের একটি পরিবারের চার জন বিয়েবাড়ি থেকে ফিরছিলেন।

সেই সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ঘটনায় খালে উলটে যায় গাড়িটি। গাড়িতে যে ৪ জন ছিলেন তারা হলেন, তেজ রাম, মুনে লাল, সুরজিৎ এবং তাঁর আট বছরের সন্তান।  সেই সময় তাঁদের দেহ এমনকি গাড়িটিও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তদন্তকারীদের অনুমান, মঙ্গলবার ওই গাড়িটিই উদ্ধার হয়েছে। সেটির ভিতর থেকে কঙ্কালের যে অবশিষ্টাংশ মিলেছে, তা-ও ওই চার জনেরই বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। এত বছর পর হঠাৎ করেই সেই চারজনের কঙ্কালের অবশিষ্টাংশ উদ্ধার ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। যদিও উদ্ধার হওয়া হাড়গোর তাঁদেরই কিনা সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে সেগুলি ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।