পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ বিহারের সিওয়ানে রবিবার ভোরে পুলিশের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হল বিজেপি বিধায়কের ভাগ্নে হর্ষ সিং হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত সোনু যাদবের। এই ঘটনা ঘিরে প্রশ্নের মুখে পড়েছে পুলিশ। নিহত সোনুর বিরুদ্ধে ২৫ হাজার টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। কয়েকদিন ধরেই তাকে খুঁজছিল পুলিশ। এর আগে এই একই মামলায় জড়িত আর এক অভিযুক্ত ছটু যাদবকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৯ এপ্রিল প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক মনোজ সিংয়ের ভাগ্নে হর্ষ সিংকে প্রকাশ্যে গুলি করে খুন করা হয়।
সেই সময় হর্ষ তাঁর বাবা চন্দন সিংকে নিয়ে গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন। পথে একটি গাড়িকে পাশ কাটানোকে কেন্দ্র করে কয়েকজন যুবকের সঙ্গে তাঁদের বচসা বাধে। অভিযোগ, সেই বিবাদের জেরেই কিছু দূর এগিয়ে একটি উড়ালপুলের সামনে হর্ষদের গাড়িতে ধাক্কা মারে দুষ্কৃতীরা।আরও পড়ুন:
এরপর গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালানো হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় হর্ষ সিংয়ের। গুরুতর জখম হন তাঁর বাবা চন্দন সিং।
এই হামলার একটি ভিডিও পরে প্রকাশ্যে আসে। সেখানে দেখা যায়, আততায়ীরা দাঁড়িয়ে গাড়ির দিকে একের পর এক গুলি চালাচ্ছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানান, দুষ্কৃতীদের ধরতে একাধিক বিশেষ দল তৈরি করা হয়েছিল। সম্প্রতি খবর মেলে, সোনু যাদব সিওয়ানের সরেয়া গ্রামে লুকিয়ে রয়েছে। সেই সূত্র ধরেই রবিবার ভোরে সেখানে পৌঁছয় পুলিশ। অভিযোগ, পুলিশকে দেখেই গুলি চালাতে শুরু করে সোনু। পালটা জবাব দেয় পুলিশও। বেশ কিছুক্ষণ ধরে দু'পক্ষের মধ্যে গুলির লড়াই চলে।আরও পড়ুন:
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় সোনুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এর আগে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছটু যাদবকেও ধরতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার এড়াতে সেও গুলি চালিয়েছিল। পালটা অভিযানে আহত হওয়ার পর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।