পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ রাজ্যে প্রথম দফার ভোটের আর মাত্র ১২ দিন বাকি। তারপরেও পুলিশ প্রশাসনে বদলি অব্যাহত রেখেছে নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই কয়েকশো আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। এনিয়ে প্রথম থেকেই সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন এরফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও ভেঙে পড়তে পারে।

তারপরেও জেন বদলি থামাচ্ছে না নির্বাচন কমিশন। এবার আরও ১১ জন আইপিএস অফিসার এবং ডব্লিউবিপিএস আধিকারিককে বদলি করল নির্বাচন কমিশন। শনিবার কমিশনের তরফে এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। 

নির্দেশিকা অনুযায়ী, কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার স্তরে বদলি করা হয়েছে। কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার করা হয়েছে সিআইডি-র ডিআইজি সোমা দাস মিত্রকে।

পাশাপাশি, কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (সদর) করা হয়েছে সুদীপ সরকারকে, যুগ্ম কমিশনার (ইন্টেলিজেন্স) করা হয়েছে দেবস্মিতা দাসকে। শুধু যুগ্ম কমিশনার পদেই নয়, ডিসি স্তরেও একাধিক বদল করা হয়েছে। এরমধ্যে ভাঙড় ডিভিশনের ডিসি করা হয়েছে মণীশ জোশীকে। ডিসি ইস্ট করা হয়েছে প্রশান্ত চৌধুরীকে, সৈকত ঘোষকে ডিসি নর্থ, ভি এস আর অনন্তনাগকে ডিসি সাউথ এবং ডিসি সাউথ ইস্ট করা হয়েছে সৈকত ঘোষকে। এর আগে তিনি ডিসি ভাঙড় ছিলেন।
 

এদিকে, চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের নতুন ডিসি (সদর) করা হয়েছে ইন্দ্রজিৎ সরকারকে। শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের ডিসি (ইস্ট) পদে বদলি করা হয়েছে আসানসোল-দুর্গাপুর কমিশনারেটের ডিসি রানা মুখোপাধ্যায়কে। এদিকে, সুন্দরবন পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) পদে পাঠানো হয়েছে চন্দন ঘোষকে। আর বেলডাঙার নতুন এসডিপিও করা হয়েছে আনন্দজিৎ হোড়কে। প্রসঙ্গত, যদিও নির্বাচনের আগে পুলিশ প্রশাসনে আধিকারিকদের রদবদল নতুন কিছু নয়। তবে অতীতে এত সংখ্যায় রদবদল চোখে পড়েনি বলেই দাবি বিরোধীদের।