কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুপারিশের ভিত্তিতে তাঁর ইস্তফা অনুমোদন করা হয়েছে। নতুন পূর্ণাঙ্গ শিক্ষামন্ত্রী নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত প্রহ্লাদ জোশীকে শিক্ষামন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
বর্তমানে প্রহ্লাদ জোশী কেন্দ্রীয় সরকারের উপভোক্তা বিষয়ক, খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
নতুন দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি আগের মন্ত্রকও সামলাবেন।আরও পড়ুন:
ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রকের অন্তর্বর্তী দায়িত্ব কার হাতে তুলে দেওয়া হবে, তা নিয়ে আলোচনা হয় বলে সূত্রের খবর। পরে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে পরামর্শের ভিত্তিতে প্রহ্লাদ জোশীর নাম চূড়ান্ত করা হয়।
আরও পড়ুন:
চারবারের সাংসদ প্রহ্লাদ জোশী দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংগঠক হিসেবে পরিচিত। ২০১২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি বিজেপির কর্নাটক রাজ্য সভাপতি ছিলেন। এছাড়া কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্বও সফলভাবে পালন করেছেন। দল ও সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বের আস্থাভাজন হিসেবেই তাঁর পরিচিতি রয়েছে।
আরও পড়ুন:
শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো পদত্যাগপত্রে ধর্মেন্দ্র প্রধান জানান, দেশের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ এবং দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা তাঁর কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তিনি দাবি করেন, নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনার দায় এড়িয়ে যাননি এবং প্রথম থেকেই জবাবদিহি করেছেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, ছাত্র আন্দোলনের আড়ালে কিছু ‘দেশবিরোধী শক্তি’ পরিস্থিতিকে অস্থির করার চেষ্টা করছে। সেই পরিস্থিতিতে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন:
সূত্রের খবর, পরে মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য রদবদলের সময় শিক্ষামন্ত্রকের জন্য একজন স্থায়ী পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী নিয়োগ করা হতে পারে। ততদিন পর্যন্ত অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকবেন প্রহ্লাদ জোশী।