তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে নতুন দল এনসিপিআই-এ যোগ দেওয়া ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদের সংসদীয় স্বীকৃতি এখনও মেলেনি। দলবদলের বিষয়ে এনসিপিআই সভাপতি জ্যোতিপ্রকাশ চট্টোপাধ্যায় লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিলেও, মঙ্গলবার পর্যন্ত লোকসভা সচিবালয়ের পক্ষ থেকে কোনও সরকারি ঘোষণা করা হয়নি।
আরও পড়ুন:
ফলে লোকসভার ওয়েবসাইটে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষদস্তিদার-সহ বিদ্রোহী সাংসদদের পরিচয় এখনও তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ হিসেবেই রয়েছে। এমনকি সংসদে সরকারের কাছে জমা দেওয়া প্রশ্নও তাঁরা তৃণমূলের সাংসদ পরিচয়েই জমা দিয়েছেন। পরিবর্তন হয়নি তাঁদের নির্ধারিত আসন ব্যবস্থাও।
আরও পড়ুন:
আগামী ২০ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন। তার আগে ১৯ জুলাই সর্বদলীয় বৈঠক হওয়ার কথা। সূত্রের দাবি, সেখানে এনসিপিআইয়ের প্রতিনিধিদের ডাকার বিষয়ে মৌখিকভাবে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিললেও এখনও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রকের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পাঠানো হয়নি।
আরও পড়ুন:
এই পরিস্থিতিতে বিদ্রোহী শিবিরের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, দল পরিবর্তনের পরও সংসদে নতুন পরিচয়ের স্বীকৃতি না মেলায় রাজনৈতিক ও সাংগঠনিকভাবে তাঁরা সমস্যার মুখে পড়ছেন।
এই পরিস্থিতি নিয়ে রবিবার সংবিধান সদনে বিদ্রোহী সাংসদদের বৈঠক হওয়ার কথা, যেখানে বাদল অধিবেশনে তাঁদের কৌশল চূড়ান্ত করা হতে পারে।এদিকে, রাজ্যসভায় কয়েকজন সদস্যের আসন পরিবর্তন নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে সামনের সারিতে বসার নতুন আসন বরাদ্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব, নির্মলা সীতারামন, এস. জয়শঙ্কর ও হরদীপ সিং পুরীর আসন পরিবর্তন নিয়েও রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।
অন্যদিকে, লোকসভায় তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা কমে যাওয়ায় সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান পদও হাতছাড়া হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। বিদ্রোহী সাংসদদের নতুন দল এনসিপিআই ইতিমধ্যেই ওই পদে দাবি জানিয়েছে।