কেএফসির পর বয়কট কোকাকোলা
পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: ইসরাইলের প্রতি আমেরিকার অব্যাহত সমর্থনের প্রতিবাদে অনেকেই এখন বেছে নিচ্ছেন দেশীয় পণ্য। এর ফলে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পানীয় ‘চ্যাট কোলা’ জনপ্রিয়তা পেয়েছে সবচেয়ে বেশি। গাজা নরসংহারে ইসরাইলকে যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সমর্থনের কারণে মার্কিন পণ্য বর্জন করে আসছেন ফিলিস্তিনিরা। রামাল্লাহ ও অন্যান্য শহরে মার্কিন ফুড চেইন কেএফসি ও ম্যাকডোনাল্ডস বন্ধ হয়েছে। সুপার মার্কেটের তাক থেকে সরে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদিত পানীয় কোকা কোলাও।
আরও পড়ুন:
স্থানীয় দোকানদাররা বলছেন, ক্রেতারা এসে প্রথমেই জানতে চান আর কোন কোন ইসরাইলি ও মার্কিন পণ্য বয়কটের তালিকায় রয়েছে। ইসরাইলের অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেওয়াই এই বর্জনের উদ্দেশ্য বলে দাবি ফিলিস্তিনিদের। চ্যাট কোলা একটি স্থানীয় ব্র্যান্ড যা কোকের মতো দেখতে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে চ্যাট কোলার বিক্রি বেড়ে গেছে। অনেক দোকান আর কোক বিক্রি করছে না।
চ্যাট কোলার মালিক তার পণ্যে গর্বিত। তিনি বলেছেন, এটি কোকের মতোই ভালো। একসময় রামাল্লার জনগণের কাছেই জনপ্রিয়তা না পাওয়া এই পণ্যটি এখন ফিলিস্তিনের বাজারে গড়ে তুলেছে শক্ত অবস্থান। চ্যাট কোলা এখন অন্যান্য দেশেও বিক্রি হচ্ছে। কোম্পানির আশা, এটি পৃথিবীজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠবে। রামাল্লায় আগে বেশকিছু কেএফসি আউটলেট ছিল, স্থানীয়রা সেগুলো বয়কট করেছে। এখন সমস্ত আউটলেট বন্ধ হয়ে গিয়েছে। চ্যাট কোলা একটি ফিলিস্তিনি কোম্পানি যা কার্বনেটেড পানীয়, জুস, এনার্জি ড্রিঙ্ক এবং পরিশোধিত পানি উৎপাদন করে। ২০২০ সালে সালফিত শহরে প্রতিষ্ঠিত এই কোম্পানি খুব অল্প সময়ের মধ্যে ফিলিস্তিনের বাজারে নিজের প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করে। চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে চ্যাট কোলা প্রতিবেশী জর্ডনে তাদের দ্বিতীয় উৎপাদন কেন্দ্র খুলছে। এটি ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি এবং সবুজ আপেলের মতো নতুন ক্যান্ডি রঙের স্বাদ তৈরি করেছে।