০৭ জানুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ২২ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সোদপুর নির্যাতিতা-কাণ্ড: মূল অভিযুক্ত শ্বেতার পুলিশ হেফাজতে

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: সোদপুর নির্যাতিতা-কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত শ্বেতা খানকে ৮ দিনের পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিল হাওড়া আদালত। বুধবার রাতে কলকাতার আলিপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করে হাওড়া গোয়েন্দা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে আদালতে পেশ করা হলে, বিচারক পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। ডোমজুড় থানায় রাতভর জিজ্ঞাসাবাদের পর এদিন দুপুরে শ্বেতাকে আদালতে আনা হলে আদালত চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন: সোদপুর নির্যাতিতা কাণ্ডে গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত আরিয়ান খান

বাঁকড়া অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা তাকে ঘিরে তীব্র বিক্ষোভ দেখান। অভিযোগ, শ্বেতা খান তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে ছবি তুলে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছেন। আদালত চত্বরে বিক্ষোভের মাঝেই তাকে চড় মারার অভিযোগও ওঠে।

তৃণমূল কর্মী শেখ আবদুল সালাম বলেন, ‘শ্বেতা কখনও আমাদের দলের কর্মী ছিল না। ওর ফাঁসি হওয়া উচিত।’ এক তৃণমূল মহিলা কর্মী বলেন, শ্বেতা মার খাওয়ার যোগ্য। নেতাদের নামে বদনাম করছে। অন্যদিকে, শ্বেতা খান আদালতের পথে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার কাছে সব প্রমাণ আছে। আমি নির্দোষ। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। আমাকে বাঁচান।’

প্রসঙ্গত, শ্বেতার বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে সিসিটিভি ফুটেজ ও নথি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পাশাপাশি শ্বেতা খানের বাড়িতেও বাঁকড়া ফাঁড়ির পুলিশ তল্লাশি চালায়। বেশ কিছু নথিপত্র সংগ্রহ করেন।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

জমি নিয়ে বিবাদ: বাবা, বোন ও ভাগ্নিকে কুপিয়ে খুন, প্রমাণ লোপাটে দেহ কুয়োয়, নৃশংসতা উত্তরপ্রদেশে

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সোদপুর নির্যাতিতা-কাণ্ড: মূল অভিযুক্ত শ্বেতার পুলিশ হেফাজতে

আপডেট : ১২ জুন ২০২৫, বৃহস্পতিবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: সোদপুর নির্যাতিতা-কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত শ্বেতা খানকে ৮ দিনের পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিল হাওড়া আদালত। বুধবার রাতে কলকাতার আলিপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করে হাওড়া গোয়েন্দা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে আদালতে পেশ করা হলে, বিচারক পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। ডোমজুড় থানায় রাতভর জিজ্ঞাসাবাদের পর এদিন দুপুরে শ্বেতাকে আদালতে আনা হলে আদালত চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন: সোদপুর নির্যাতিতা কাণ্ডে গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত আরিয়ান খান

বাঁকড়া অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা তাকে ঘিরে তীব্র বিক্ষোভ দেখান। অভিযোগ, শ্বেতা খান তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে ছবি তুলে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছেন। আদালত চত্বরে বিক্ষোভের মাঝেই তাকে চড় মারার অভিযোগও ওঠে।

তৃণমূল কর্মী শেখ আবদুল সালাম বলেন, ‘শ্বেতা কখনও আমাদের দলের কর্মী ছিল না। ওর ফাঁসি হওয়া উচিত।’ এক তৃণমূল মহিলা কর্মী বলেন, শ্বেতা মার খাওয়ার যোগ্য। নেতাদের নামে বদনাম করছে। অন্যদিকে, শ্বেতা খান আদালতের পথে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার কাছে সব প্রমাণ আছে। আমি নির্দোষ। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। আমাকে বাঁচান।’

প্রসঙ্গত, শ্বেতার বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে সিসিটিভি ফুটেজ ও নথি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পাশাপাশি শ্বেতা খানের বাড়িতেও বাঁকড়া ফাঁড়ির পুলিশ তল্লাশি চালায়। বেশ কিছু নথিপত্র সংগ্রহ করেন।