মোল্লা জসিমউদ্দিন: মঙ্গলবার উচ্চ প্রাথমিকে সুপার নিউমারি মামলায় সিঙ্গল বেঞ্চের অন্তর্বতী স্থগিতাদেশ বহাল রাখল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি স্মিতা দাস দে-এর ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, আপাতত কোন নিয়োগ নয়।ওই শূন্যপদে নিয়োগের ক্ষেত্রে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর সিঙ্গল বেঞ্চ। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিলেন চাকরিপ্রার্থীরা। মামলাকারীদের আইনজীবী ডিভিশন বেঞ্চে সওয়াল করে জানান, দু’বছর ধরে অপেক্ষায় বসে আছে চাকরিপ্রার্থীরা।অন্তর্বতী স্থগিতাদেশ কি থাকতে পারে?’
ওই আইনজীবী আরও উল্লেখ করেন, সুপার নিউমেরারি পোস্ট তৈরি হয়েছিল মন্ত্রিসভার অনুমতি নিয়েই। তবে এই যুক্তি শুনেও আপত্তি জানায় ডিভিশন বেঞ্চ। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌমেন সেন প্রশ্ন করেন, ক্ষ্মযদি শেষে দেখা যায় যে রাজ্য সুপার নিউমেরারি পোস্ট তৈরি করতেই পারে না, তাহলে কী লাভ স্থগিতাদেশ তুলে দিয়ে?
বিচারপতির প্রশ্ন, যদি বৈধতাই না থাকে তাহলে ফের নতুন সমস্যা হবে।আগামী ১৮ জুন এই সংক্রান্ত মামলা রয়েছে সিঙ্গল বেঞ্চে। আরেক আইনজীবী প্রশ্ন করে জানান, যারা মামলা করেছে, তারা পাশই করেনি। তাহলে এই মামলার কী অর্থ? সাংবিধানিক অধিকার আছে কি না সেটা নিয়ে এটা প্রশ্ন রয়েছে. আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য – আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানান, সুপারনিউমেরারি পদ তৈরি করাটাই নীতি-বিরুদ্ধ। শূন্যপদের সংখ্যা কত? তা আগে থেকে বলে দিতে হয়, এটাই নিয়ম। সুপার নিউমেরারি মামলায় কোনও স্বস্তি পেলেন না চাকরিপ্রার্থীরা। স্কুল সার্ভিস কমিশন নিয়োগের জন্য যে অতিরিক্ত পদ তৈরি করেছিল, তাতে অন্তর্বতী স্থগিতাদেশ বহাল রাখল ডিভিশন বেঞ্চ। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশই বহাল রাখল বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি স্মিতা দাস দে-র ডিভিশন বেঞ্চ।






























