পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: পথকুকুর সংক্রান্ত মামলায় আদালতের দেওয়া অন্তর্বর্তী নির্দেশের বিরুদ্ধে বিপুল আবেদন জমা পড়ায় বিস্ময় প্রকাশ করলেন সুপ্রিম কোর্ট। এদিন মামলাকারীকে আদালত প্রশ্ন করে, “অন্য প্রাণীদের জীবনের কী হবে? মুরগি-ছাগল, এদের কি জীবন নেই?” মানুষের ব্যাপারেও এত পিটিশন জমা পড়ে না! বলেও পর্যবেক্ষণ করেছে বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চে। পথকুকুরের প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেছিলেন দু’জন আইনজীবী। জানান, সুপ্রিম কোর্টের অন্তর্বর্তী নির্দেশের বিরুদ্ধে আবেদন করেছেন তাঁরা, সেটা শোনার আর্জিও জানান।
প্রসঙ্গত, গত বছরের নভেম্বর মাসেই শীর্ষ আদালতে পথকুকুরদের কামড়ানোর বিষয়টি ওঠে। এরপরই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও রেলওয়ে স্টেশনে পথকুকুরদের নিষিদ্ধ করা হয়। টিকাকরণ ও নির্বীজকরণের পর ডগ শেল্টারে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এনিয়ে শীর্ষ আদালতে মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি মেহতা বলেন, ‘মানুষের কেসেও তো সাধারণত এত অ্যাপ্লিকেশন জমা পড়ে না!’ এর পরই বিচারপতিরা জানান, বুধবার শীর্ষ কোর্টে পথকুকুরের মামলার শুনানি হবে। তখনই এই সংক্রান্ত সব ক’টি পিটিশন শোনা হবে। এই মামলা শোনার জন্য বিচারপতি নাথ, বিচারপতি মেহতা এবং বিচারপতি এনভি আঞ্জারিয়ার স্পেশাল বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে।
এক পশুপ্রেমীর বক্তব্য ছিল, “আমরা পথকুকুরদের পাউন্ডে পাঠানোর কথা বলছি। যদি পথকুকুর না থাকে, তাহলে আবর্জনা ও বাঁদরের কী হবে?” আইনজীবী কপিল সিবল বলেন, “আমরা এখানে কুকুরপ্রেমী ও পরিবেশপ্রেমী হিসাবে হাজির হয়েছি।” সুপ্রিম বেঞ্চ বলেছে, যে আচরণ দেখে কোন কুুকুর ভয়ঙ্কর, তা অনুমান করা অসম্ভব। এটা শুধু কামড়ানোর বিষয় নয়, কুকুরের জন্য যে ঝুঁকি বা দুর্ঘটনা ঘটে, সেগুলিও। আপনি কীভাবে চিহ্নিত করবেন? সকালে কোন কুকুরের কী মুড থাকে, তা কেউ জানে না।






























