হিলারি ক্লিন্টন থেকে কমলা হ্যারিস—দু’জনই মার্কিন রাজনীতির শীর্ষ স্তরের নেতা। তবু হোয়াইট হাউসের ফিনিশিং লাইনে পৌঁছতে পারেননি কেউই। রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে পরপর ধরাশায়ী হয়েছেন তাঁরা। কেন এমন হচ্ছে?

প্রাক্তন মার্কিন ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র এখনো নারী নেতৃত্বকে গ্রহণ করার মতো মানসিকভাবে প্রস্তুত নয়।

নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে তাঁর বই “দ্য লুক”–এর প্রচার অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী এলিস রসের সঙ্গে কথোপকথনে মিশেল বলেন, “দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি—মহিলাদের নেতৃত্ব মেনে নেওয়ার জন্য আমাদের আরও পরিণত হতে হবে। বহু পুরুষ আছেন, যারা কোনোভাবেই নারী নেত্রীকে গ্রহণ করতে চান না।”

মিশেলের এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনার ঝড় উঠেছে।

ডেমোক্র্যাট সমর্থকদের বড় একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরেই তাঁকে প্রেসিডেন্ট পদে দেখতে চান। জনপ্রিয়তাও তাঁর কম নয়।

তবু মিশেল ওবামা এবারও নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে দেন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়ার প্রশ্নে তিনি দৃঢ়ভাবে জানান, “আমি কোনোভাবেই প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড়ে নামছি না। এর কোনও প্রয়োজনও দেখি না।”

মিশেলের বক্তব্যে ফের সামনে উঠে এল সেই পুরনো প্রশ্ন—ওভাল অফিসে প্রথম নারী প্রেসিডেন্টের স্বপ্ন দেখতে আমেরিকাকে আরও কতটা পথ হাঁটতে হবে?