বাংলাদেশের মাদারগঞ্জ এলাকায় বিয়ের দাবিতে এক নারীর অনশনকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পটুয়াখালী থেকে এসে ৪১ বছর বয়সী চম্পা নামের এক নারী সোমবার বিকেল থেকে আদারভিটা ইউনিয়নের বাঁশদাইড় এলাকায় কাজল (২৬) নামে এক যুবকের বাড়িতে অবস্থান নিয়ে অনশন শুরু করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত যুবক কাজল তার পরিবারসহ বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য সুজন পারভেজ।

অনশনরত চম্পার দাবি, প্রায় চার বছর আগে ফোনে কাজলের সঙ্গে তার পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক সময় ফোনেই ‘কবুল’ বলে তাঁদের বিয়ে হয়, যদিও আনুষ্ঠানিক কোনো কাবিননামা হয়নি। চম্পার আগের সংসারে পাঁচটি সন্তান রয়েছে এবং কাজলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার পর তিনি আগের স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ করেন।

চম্পার অভিযোগ, কাজল সব জেনেশুনেই তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে আশ্বাস দিয়ে এসেছেন।

চলতি মাসের ৯ তারিখ কাজল তাকে বাড়িতে আসতে বললে তিনি পটুয়াখালী থেকে সেখানে যান। কিন্তু পৌঁছে দেখেন, কাজল পলাতক। এখন বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত তিনি সেখান থেকে সরবেন না বলে জানিয়েছেন।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
ইউপি সদস্য সুজন পারভেজ জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমাধানের চেষ্টা করছেন। তাঁর কথায়, “এত দূর থেকে যেহেতু মহিলা এসেছেন, ছেলের কিছু দায়বদ্ধতা থাকতেই পারে। আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে।”
অন্যদিকে, বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা পড়েনি। তবে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।