বাংলা, অন্ধ্রপ্রদেশ ও অসমের পর এবার বিহারেও পুলিশের সঙ্গে দুষ্কৃতীদের গুলির লড়াই। শুক্রবার ভোরে পাটনার শেরপুরে গঙ্গার তীরে পুলিশের অভিযানে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন মানের থানার ওসি রজনীশ কুমার। তাঁর বাঁ হাতে গুলি লেগেছে।
আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন খবরের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোরে শেরপুর এলাকায় অভিযান চালায় স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) ও পাটনা পুলিশ।
সেখানে কয়েকজন দুষ্কৃতী জড়ো হয়ে বড়সড় অপরাধের পরিকল্পনা করছে বলে খবর ছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছতেই দু’পক্ষের মধ্যে গুলির লড়াই শুরু হয়। পুলিশের পাল্টা গুলিতে তিনজন আহত হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।আরও পড়ুন:
পাটনার এসএসপি কার্তিক কুমারের দাবি, পুলিশকে লক্ষ্য করে প্রথমে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা।
মানের থানার ওসি রজনীশ কুমারকে লক্ষ্য করেও একাধিক রাউন্ড গুলি চালানো হয়। সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত তিনজনেরই একাধিক অপরাধমূলক মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।আরও পড়ুন:
পুলিশের দাবি, দুর্গাপুজোর অষ্টমীর দিন মানের একটি খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত ছিল নিহত তিনজন। এ ছাড়াও দানাপুর ও শাহপুরের একাধিক মামলায় তাদের নাম জড়িয়েছিল। এসএসপি জানিয়েছেন, সংঘর্ষের সময় দুষ্কৃতীরা ২৪ রাউন্ড এবং পুলিশ ১৮ রাউন্ড গুলি চালায়।
আরও পড়ুন:
তবে পুলিশের এই এনকাউন্টার নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিরোধী দলগুলি।