পুবের কলম, নয়াদিল্লি: আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। আর সেই ফলকে কেন্দ্র করে ভারতে সমাজমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ। আলোচনার কেন্দ্রে ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকায় কারচুপির মাধ্যমে বিজেপির নির্বাচনী সুবিধা করে দিয়েছেন তিনি। সেই অভিযোগকেই হাতিয়ার করে নেটমাধ্যমে ছড়িয়েছে নানা মিম।
কৌতুকের সুরে বলা হচ্ছে, আমেরিকার নির্বাচনের দায়িত্বে জ্ঞানেশ কুমার থাকলে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এমন পরাজয়ের মুখে পড়তে হত না। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে লিখেছেন, “জ্ঞানেশ কুমার থাকলে ট্রাম্পের এমনটা কখনও হত না।”আরও পড়ুন:
কংগ্রেস নেতা পবন খেরাও ট্রাম্পকে কটাক্ষ করেছেন। এক্সে তাঁর পোস্ট, “ট্রাম্প সাহেব, জ্ঞানেশকে সঙ্গে নিয়ে গেলে আজ এই দিন দেখতে হত না।” ব্যঙ্গ করতে ছাড়েননি আইনজীবী ও সমাজকর্মী প্রশান্ত ভূষণও।
তাঁর কল্পনায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ট্রাম্পকে বলছেন, “দুঃখিত বন্ধু, জ্ঞানেশকে তোমার কাছে পাঠাতে পারলাম না। আগে নিজের ব্যবস্থা করতে হয়েছে। এখন এখানকার মানুষ তাঁকে বাড়ির ভিতর আটকে রেখেছেন। তিনি আমাকেও সাহায্য করতে পারছেন না!”আরও পড়ুন:
আরও কিছু মিমে দেখা যাচ্ছে, ট্রাম্প মোদীর কাছে জ্ঞানেশ কুমারকে চেয়ে বসেছেন।
কয়েকটি প্যারোডি সংবাদমাধ্যমে আবার দাবি করা হয়েছে, ট্রাম্পের অনুরোধে আমেরিকার নির্বাচনকর্মীদের প্রশিক্ষণ দিতে সেখানে যাচ্ছেন জ্ঞানেশ। ভারতে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে চলা রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই এই ব্যঙ্গ ছড়িয়েছে। বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিতে অনিয়মে মদত দিয়েছেন জ্ঞানেশ। তাঁরা তাঁর পদত্যাগও দাবি করেছেন। অন্যদিকে, বিজেপির বক্তব্য, নির্বাচনে পরাজয়ের দায় এড়াতেই বিরোধীরা নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করছে।