পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: মাত্র ৩০ হাজার টাকা ধার শোধ না করায় সহকর্মীকে নৃশংসভাবে হত্যা করে মাথা কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠল ওড়িশার এক যুবকের বিরুদ্ধে। কেবল হত্যাই নয়, নৃশংসতার প্রমাণ লোপাটে কাটা মাথা এবং নিথর দেহাংশ প্রায় তিন কিলোমিটার ব্যবধানে দুটি আলাদা নির্জন জায়গায় ফেলে পালিয়ে যান অভিযুক্ত। নির্মম এই অপরাধের ঘটনাটি ঘটেছে গুজরাতের সুরাট শহরে।
আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রের খবর, গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্ত যুবকের নাম সচিত কুমার নরেন্দ্র বাল।
অভিযুক্ত এবং নিহত ব্যক্তি দু’জনেই ওড়িশার বাসিন্দা এবং গত ছয় মাস ধরে সুরাটের একই পাওয়ারলুম কারখানায় কাজ করছিলেন।আরও পড়ুন:
গত মঙ্গলবার সুরাট পুলিশ কন্ট্রোল রুমে একটি ফোন আসে। তথ্য মেলে যে, শহরের গোটলাওয়াড়ি ক্রসিংয়ের কাছে একটি কবরস্থানের মধ্যে এক যুবকের মুণ্ডহীন, বিবস্ত্র দেহ পড়ে রয়েছে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশের একটি বিশেষ দল।
তদন্তে নেমে ওড়িশার বাসিন্দা সচিত কুমার নরেন্দ্র বাল-কে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন আধিকারিকরা। টানা জেরার মুখে সচিত নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করেন এবং জানান যে ধারের টাকা ফেরত না দেওয়াতেই তিনি সহকর্মীকে হত্যা করেছেন।আরও পড়ুন:
অভিযুক্তকে সঙ্গে নিয়ে পুলিশ আলকাপুরী রেল সেতুর নিচের রেললাইনের পাশ থেকে নিহতের কাটা মুণ্ড উদ্ধার করে। কবরস্থান থেকে সেই স্থানটির দূরত্ব প্রায় তিন কিলোমিটার।