পুবের কলম ওয়েবডেস্ক, ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে পুলিশি ধরপাকড় এবং গণপরিবহণে বিধিনিষেধের ঘটনায় রবিবার বিশেষ শুনানি করতে চলেছে সুপ্রিম কোর্ট। শনিবারের বিক্ষোভে বিরোধী নেতানেত্রী, আইনজীবী ও সাংবাদিকদের আটক করার পাশাপাশি মেট্রো ও ট্রেন পরিষেবা নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন আবেদনকারীরা।

প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার থাকার কথা। আদালতে দুটি পৃথক আবেদন উঠবে। একটি আবেদনে অভিযোগ, ৯ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করে দিল্লির সঙ্গে সংযোগকারী মেট্রো ও ট্রেন পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছিল।

অন্য আবেদনটিতে বিরোধী নেতাদের আটক করার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে তাঁদের মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে।

আইনজীবী শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী আদালত অবমাননার আবেদন করেছেন। তাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন, দিল্লির পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমার এবং দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশনের চেয়ারপার্সন ডি তারা-কে বিবাদী করা হয়েছে। আবেদনকারীর দাবি, বিক্ষোভের কারণে সাধারণ মানুষের যাতায়াত পুরোপুরি বন্ধ করা যায় না। ৯ অক্টোবরের নির্দেশে আদালতও জানিয়েছিল, প্রতিবাদের কারণে মেট্রো ও ট্রেন পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা চলবে না।

একই ধরনের আবেদন করেছেন তৃণমূল সাংসদ তথা প্রবীণ আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী। তাঁর আবেদনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও’ব্রায়েন, সাকেত গোখলে, দোলা সেন ও প্রতিমা মণ্ডল-সহ কয়েক জন নেতাকে আদালতে হাজির করানোর আর্জি জানানো হয়েছে। তাঁদের আটককে বেআইনি ঘোষণা করে মুক্তির নির্দেশ দেওয়ারও দাবি উঠেছে।

আবেদনকারীদের বক্তব্য, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার খর্ব করতে আগাম আটককে হাতিয়ার করা যায় না। রবিবারের শুনানিতে এই অভিযোগগুলিরই বিচার করবে শীর্ষ আদালত।