পুবের কলম ওয়েবডেস্ক, পরিবারের বাবা-মা বা ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের হৃদ্রোগের ইতিহাস থাকলে নিজের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকা জরুরি। বংশগত প্রবণতার পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস এবং কোলেস্টেরলের মতো সমস্যাও হৃদ্রোগের আশঙ্কা বাড়াতে পারে। তাই আগে থেকেই কিছু পরীক্ষা করিয়ে ঝুঁকির দিকগুলি নজরে রাখা যেতে পারে।
আরও পড়ুন:
লিপিড প্রোফাইল:
আরও পড়ুন:
রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কেমন, তা জানতে এই পরীক্ষা করা হয়।
দীর্ঘদিন কোলেস্টেরল বেশি থাকলে রক্তনালিতে চর্বি জমে হৃদ্যন্ত্রে রক্ত চলাচলে বাধা তৈরি করতে পারে। ফলে বাড়তে পারে হৃদ্রোগের ঝুঁকি।আরও পড়ুন:
রক্তচাপ ও HbA1c:
আরও পড়ুন:
উচ্চ রক্তচাপ এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। HbA1c পরীক্ষায় গত কয়েক মাসের গড় রক্তে শর্করার মাত্রার ধারণা পাওয়া যায়।
নিয়মিত রক্তচাপ মাপার পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এই পরীক্ষাও করানো যেতে পারে।আরও পড়ুন:
ইসিজি:
আরও পড়ুন:
হৃদ্যন্ত্রের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে ইসিজি। কোনও অস্বাভাবিকতা ধরা পড়লে চিকিৎসক প্রয়োজন অনুযায়ী আরও পরীক্ষা করতে বলতে পারেন।
আরও পড়ুন:
তবে বয়স, পারিবারিক ইতিহাস ও শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতে পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা আলাদা হতে পারে। তাই নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষার পরিকল্পনা চিকিৎসকের পরামর্শেই করা ভাল।