পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: বার কাউন্সিলের অন্দরে এবার প্রকাশ্যে এল বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ। খোদ চেয়ারম্যান মনন কুমার মিশ্রর বিরুদ্ধে ১৫০ কোটি টাকার দুর্নীতি, স্বজনপোষণ এবং একাধিপত্যের মতো গুরুতর অভিযোগ এনেছেন বার কাউন্সিলের কো-চেয়ারম্যান তথা প্রবীণ আইনজীবী ওয়াই আর সদাশিব রেড্ডি। ঐতিহ্যবাহী এই সংস্থার ভাবমূর্তি রক্ষার্থে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বর্তমান চেয়ারম্যানের ইস্তফাও দাবি করেছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
মনন কুমার মিশ্রকে লেখা একটি ছ’পাতার চিঠিতে সদাশিব রেড্ডি অভিযোগ করেছেন, চেয়ারম্যান ইচ্ছাকৃতভাবে বার কাউন্সিলের পুরনো ট্রাস্টটি নিষ্ক্রিয় করে রেখেছেন।
অভিযোগ, ওই পুরনো ট্রাস্ট থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের আইনজীবীদের দেওয়া ১৫০ কোটি টাকার তহবিল তিনি সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে নিজের নামে তৈরি করা একটি নতুন ট্রাস্টে সরিয়ে ফেলেছেন।আরও পড়ুন:
কাউন্সিলের অন্য কোনও সদস্যকে ওই ট্রাস্টের মূল দলিলটিও দেখানো হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি, যে সমস্ত আইন কলেজ বার কাউন্সিলের অনুমোদন বা নবীকরণের আবেদন করছে, তাদের ওই নতুন ট্রাস্টে ২৫ লক্ষ থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত মোটা অঙ্কের অনুদান দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে। রেড্ডির আরও দাবি, বার কাউন্সিলের বহু কর্মী এবং আধিকারিক আসলে চেয়ারম্যানের নিজস্ব পরিচিত বা তাঁর পরিবারের সদস্য।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, সম্প্রতি আরও একটি বিতর্কে জড়িয়ে খবরের শিরোনামে এসেছিলেন মনন মিশ্র। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তকে নিয়ে পড়ুয়াদের একাংশের বিক্ষোভের জেরে নালসার বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তাঁর যাওয়া বাতিল হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মনন মিশ্র নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, ২০২৬ সালে নালসার থেকে পাশ করা কোনও পড়ুয়াকে দেশের কোনও রাজ্যের বার কাউন্সিলে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হবে না। প্রবল বিতর্কের মুখে পরে তিনি সেই নির্দেশ প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই এবার এই বিশাল আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে রীতিমতো চাপে পড়লেন বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান।