পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: আগামী বিশেষ অধিবেশন ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের সূচনা। কেন্দ্র সরকার ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিলসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিল আনতে চলেছে, যার মাধ্যমে লোকসভা ও বিধানসভায় আসনসংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই প্রস্তাব কার্যকর হলে লোকসভার মোট আসন সংখ্যা বর্তমান ৫৪৩ থেকে বেড়ে ৮৫০-এ পৌঁছাবে।
 
এই বিলের বিরোধিতায় সরব হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তাঁর অভিযোগ, ডিলিমিটেশন বা এলাকা পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে রাজ্যগুলিকে ‘টুকরো টুকরো’ করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, এর পরেই নাগরিকপঞ্জি প্রক্রিয়া চালু হতে পারে। প্রস্তাবিত বিল অনুযায়ী, সাধারণ রাজ্যগুলি থেকে ৮১৫ জন এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি থেকে ৩৫ জন সাংসদ নির্বাচিত হবেন। এর মধ্যে ২৭৩টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।
তবে বিরোধীদের প্রশ্ন, ২০২৯ সালের নির্বাচন থেকে কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও কেন নির্বাচনের মুখে তড়িঘড়ি এই বিল আনা হচ্ছে?
 
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, সাধারণত জনগণনার ভিত্তিতে এলাকা পুনর্বিন্যাস হওয়ার কথা থাকলেও, এবার ২০১১ সালের তথ্যের ভিত্তিতেই তা করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই বিষয়টিকেও কেন্দ্রের তাড়াহুড়ো সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছে বিরোধীরা। কংগ্রেসসহ একাধিক বিরোধী দল এই পদক্ষেপকে নির্বাচন বিধি লঙ্ঘনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছে। যদিও মহিলা সংরক্ষণের পক্ষে অবস্থান স্পষ্ট রেখেই ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়ার বর্তমান রূপের বিরোধিতা করছে তারা।