মহারাষ্ট্রের ভিওয়ান্ডিতে ১৭ জন স্কুলপড়ুয়াকে নিয়ে যাওয়া একটি অটোরিকশা থামিয়ে চালকের কাছে কৈফিয়ত চাইলেন এক ব্যক্তি। তিন আসনের ওই গাড়িতে এতজন যাত্রী কেন বহন করা হচ্ছিল, তা জানতে চান তিনি। ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।
আরও পড়ুন:
ভিডিওতে দেখা যায়, বেশ কয়েকজন শিশু চালকের আশপাশে গাদাগাদি করে বসে রয়েছে। অন্যদের অটোর পিছনের অংশ এবং লাগেজ রাখার জায়গায় বসে থাকতে দেখা যায়।
পিছনের আসনে ছয় থেকে সাতজন শিশু বসেছিল বলে দেখা যায়। আরও দুই থেকে তিনজনকে পিছনের আসনের পেছনে থাকা লাগেজ রাখার জায়গায় বসে থাকতে দেখা যায়।আরও পড়ুন:
ভিডিওটি যিনি রেকর্ড করেছিলেন, তিনি অটোরিকশাটি থামিয়ে শিশুদের গাড়ি থেকে নামতে বলেন। এরপর তাদের এক পাশে দাঁড় করিয়ে রেখে চালককে বারবার প্রশ্ন করেন, কেন এতজন শিশুকে একটি অটোতে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।
আরও পড়ুন:
প্রথমে চালক গাড়ির ভিতরে থাকা একটি রেলিংয়ের দিকে ইঙ্গিত করে বোঝানোর চেষ্টা করেন, কীভাবে তিনি শিশুদের নিয়ে যাচ্ছিলেন।
পাশাপাশি ওই ব্যক্তিকে আশ্বস্ত করেন যে, ভবিষ্যতে তিনি আর এমনটা করবেন না।আরও পড়ুন:
শিশুর সংখ্যা সম্পর্কে জানতে চাইলে চালক জানান, তিনি সাধারণত ১৫ জন শিশুকে নিয়ে যাতায়াত করেন। ওই দিন অতিরিক্ত কয়েকজন শিশু এসে পড়ায় তাদেরও সঙ্গে নিয়ে নিয়েছিলেন।
আরও পড়ুন:
এভাবে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করায় শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে দুর্ঘটনা বা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত গাড়ি থেকে বেরিয়ে আসা কঠিন হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুন:
ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর ভিওয়ান্ডি ট্রাফিক পুলিশ ওই অটোরিকশা চালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়।
আরও পড়ুন:
এদিকে, শহরে শিশুদের নিয়ে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই অটোরিকশা চলাচল নতুন ঘটনা নয় বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।
আরও পড়ুন:
বেশ কয়েকটি স্কুল বাস পরিষেবা দিয়ে থাকে। তবে বাসের ভাড়া এড়াতে কিছু অভিভাবক ব্যক্তিগত অটোরিকশা ব্যবহার করেন। আবার যে স্কুলগুলিতে পরিবহণের ব্যবস্থা নেই, সেখানে শিশুদের স্কুলে নিয়ে যাওয়া এবং স্কুল থেকে বাড়ি ফেরানোর জন্য পরিবারগুলি প্রায়শই স্থানীয় অটোরিকশা চালকদের উপর নির্ভর করে।