পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক:  শুধু রামমন্দির বানিয়েই ভোট তরী পার করা যাবে না। বাড়াতে হবে জনসংযোগ। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগদান করে মানুষের সমস্যার কথা জানতে হবে। ভোটারদের সঙ্গে আরও বেশি সময় কাটাতে হবে। ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনের রূপরেখা তৈরি করতে এনডিএ সাংসদদের কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রীর। সোমবার উত্তরপ্রদেশের সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। সেখানেই ২০২৪-ভোটের জয়লাভের ফর্মুলা বাতলে দিলেন তিনি।

 আগামী বছরের লোকসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে ঘুটি সাজাতে শুরু করেছে বিজেপি। এনডিএ জোটের সাংসদদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠকের পরিকল্পনা করেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। এনডিএ-র বুধবারের বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ,   প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, পরিবহনমন্ত্রী নীতির গড়কড়ি এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডা।  ৩১ জুলাইয়ে শুরু হওয়া এই বৈঠক চলবে ১০ অগস্ট পর্যন্ত।

পশ্চিম উত্তরপ্রদেশ, ব্রজ, কানপুর ও বুন্দেলখণ্ডের  মোট ৪৪  জন সাংসদ সঙ্গে নিয়ে বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’  জোটকেও আক্রমণ শানান মোদি।  এদিন তিনি বলেন, এনডিএ গরীবের সরকার। আম জনতার সরকার।
আমাদের রাজনীতি পরিবারতন্ত্রের বৃত্তিতে আটকে নেই। আমরা দেশ ও দশের কথা ভাবি। নিঃস্বার্থভাবে কাজ করি। ‘ইন্ডিয়া’র  জোটের মতো স্বার্থপর নয়। নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে ইউপিএ থেকে ‘ইন্ডিয়া’ হয়েছে। নাম পরিবর্তনে সব পাপ ধুয়ে মুছে সাফ  হবে না। তাদের দুর্নীতির কথা মানুষ জানে।
আমাদের সরকার দেশের স্বার্থে কাজ করে। মানুষের আশীর্বাদ রয়েছে আমাদের উপর।

এদিন তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের কাছে সরকারের ইতিবাচক কর্মকাণ্ড এবং জনমুখী প্রকল্পগুলি তুলে ধরুন। যারা সরকারের প্রতি ক্ষুব্ধ তাদের সঙ্গে বেশি বেশি সময় কাটান।

মনে রাখবেন বিজেপি সরকার আত্মত্যাগের সরকার। বিহার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন,  বিহারে আমাদের বেশি সংখ্যক বিধায়ক থাকা সত্ত্বেও আমরা নীতীশ কুমারকে মুখ্যমন্ত্রী করেছিলাম। পঞ্জাবে আমাদের বেশ ভালো সংখ্যক বিধায়ক ছিল অকালি সরকারের সময়। তবে আমরা তাই বলে উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ চেয়ে বসিনি।