কুতুব উদ্দিন মোল্লা, ক্যানিং: তৃণমূল নেতা রাজ্জাক খাঁ খুনের ঘটনায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে পুলিশ জানতে পেরেছে, রাজ্জাক খাঁ-র শরীরে পাঁচটি গুলির আঘাত এবং ছয়টি ধারালো অস্ত্রের ক্ষতচিহ্ন ছিল। তদন্তকারীদের ধারণা, প্রবল আক্রোশ থেকেই এই নৃশংস খুন করা হয়েছে।

ঘটনার পর থেকেই লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ ও কাশিপুর থানার পুলিশ তদন্তে নেমেছে।
ইতিমধ্যে দুই প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান রেকর্ড করে আততায়ীদের স্কেচ তৈরি করা হচ্ছে। আটক করা হয়েছে তৃণমূল নেতা মোফাজ্জল মোল্লা ও জহিরুল ইসলামকে, যাঁরা নিহত রাজ্জাকের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত।আরও পড়ুন:
পাশাপাশি, আতঙ্কের আবহে প্রশাসন নিরাপত্তা জোরদার করেছে। রাজ্জাক খাঁ খুনের পর ভাঙড়ের ১০ জন তৃণমূল নেতাকে দেহরক্ষী বরাদ্দ করা হয়েছে।
নিরাপত্তা পাওয়া নেতাদের মধ্যে রয়েছেন -সাবিরুল ইসলাম, রাকেশ রায়চৌধুরী, অহিদুল ইসলাম, নিজামুদ্দিন মোল্লা, মমিনুল ইসলাম আর দেহরক্ষী বাড়ানো হয়েছে - আহসান মোল্লা, বাহারুল ইসলাম, শাহজাহান মোল্লা, খাইরুল ইসলাম ও মহাসিন গাজীকে।আরও পড়ুন:
এই সব নেতা সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের নিরাপত্তা পাওয়ার কথা পোস্ট করে জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
এদিকে আজ নিহত রাজ্জাক খাঁ-র পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা। তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিহত নেতার স্ত্রীকে একটি সরকারি চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই পুলিশি টহল চলছে ভাঙড়ে, এলাকায় মোতায়েন বিশাল পুলিশ বাহিনী। তদন্ত ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া উভয় দিক থেকেই রাজ্জাক খাঁ খুনের ঘটনা এখন ভাঙড়ের কেন্দ্রে।