পুবের কলম ওয়েবডেস্ক, মহারাষ্ট্রের বহুল আলোচিত কেতন আগরওয়াল হত্যা মামলার তদন্তে উঠে এল নতুন তথ্য। পুলিশের দাবি, ইন্দোনেশিয়ার বালিতে প্রি-ওয়েডিং ফটোশুটের পরিকল্পনা বানচাল করতেই বাগদত্তা সিয়া গোয়েল ইচ্ছাকৃতভাবে কেতনের পাসপোর্ট সরিয়ে ফেলেছিলেন।
আরও পড়ুন:
১৮ জুন লোহাগড় দুর্গে ট্রেকিং করতে গিয়ে ৪০০ ফুট গভীর খাদে পড়ে কেতনের মৃত্যু হয়। প্রথমে ঘটনাটি দুর্ঘটনা বলে মনে হলেও তদন্তে উঠে আসে খুনের অভিযোগ।
পুলিশের দাবি, সিয়া এবং তার প্রেমিক চেতন চৌধরী পরিকল্পনা করে কেতনকে খাদে ফেলে হত্যা করেন।আরও পড়ুন:
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ঘটনার আগে সিয়া ফোনে চেতনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলাফেরার অবস্থান জানাচ্ছিলেন। অভিযোগ, নির্জন জায়গায় পৌঁছনোর পর সিয়ার ইঙ্গিতেই পিছন থেকে কেতনকে ধাক্কা দেন চেতন। পরে পোশাক বদলে স্কুটারে করে এলাকা ছাড়েন তিনি।
আরও পড়ুন:
এদিকে তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, ৬ জুন নির্ধারিত বালি সফরের আগে কেতনের পাসপোর্ট রহস্যজনকভাবে হারিয়ে যায়। কেতনের পরিবারের অভিযোগ, সেটি নিছক হারিয়ে যাওয়া নয়। পুলিশের দাবি, একটি ফুড মলে গাড়ি থামানোর সময় সিয়া পাসপোর্টটি চুরি করে শৌচাগারে ফেলে দেন। সেই পাসপোর্টের অবশিষ্টাংশ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
এই মামলায় সিয়া ও চেতনকে আরও পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তদন্তকারীদের আশা, উদ্ধার হওয়া নতুন তথ্য ঘটনাটির পূর্ণ রহস্য উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।