মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে গান্ধীজয়ন্তীতে দিল্লি ও মুম্বইয়ে বিক্ষোভ ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল। দুই শহরেই পুলিশ অনুমতি না দেওয়ায় কড়া নিরাপত্তা ও ব্যারিকেডের মধ্যে আন্দোলনে নামেন ছাত্র, যুব ও নাগরিক সংগঠনের সদস্যরা। দিল্লির যন্তরমন্তর এলাকায় বিক্ষোভকারীদের আটক করা হয়। বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেখানে পাঁচশোর বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে; পরে মোট আটক ব্যক্তির সংখ্যা ৭০০ ছাড়িয়েছে বলে কিছু রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
দিল্লিতে SIR এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল একাধিক ছাত্র ও নাগরিক সংগঠন।
পুলিশ যন্তরমন্তরের দিকে যাওয়ার বিভিন্ন রাস্তা ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেয়। প্রাক্তন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আতিশী, আপ নেতা সৌরভ ভরদ্বাজ, AISA-র নেত্রী নেহা বোরাসহ একাধিক আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তাঁদের সঙ্গে পুলিশের দুর্ব্যবহার করা হয়েছে এবং কোথাও কোথাও লাঠিচার্জও হয়েছে। অন্যদিকে, পুলিশ জানিয়েছে, অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও জমায়েত করায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন:
এদিকে মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র ডাকে জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে বড় জমায়েত হয়।
পুলিশের অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও সেখানে বহু মানুষ জড়ো হন। CJP-র এই কর্মসূচিতে অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ, শাবানা আজমি এবং গায়ক বিশাল দাদলানির মতো পরিচিত ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতি নজর কাড়ে।আরও পড়ুন:
CJP-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের নেতৃত্বে আয়োজিত এই বিক্ষোভে SIR বন্ধ করা এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে স্বচ্ছতার দাবিও ওঠে। বিক্ষোভকারীদের হাতে বিভিন্ন পোস্টার ও স্লোগান দেখা যায়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে আন্দোলন আরও বিস্তৃত করার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
দিল্লির বিক্ষোভের সঙ্গে মুম্বইয়ের কর্মসূচির চরিত্র আলাদা হলেও, দুই জায়গাতেই মূল দাবি ছিল জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা এবং নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে জবাবদিহি। নির্বাচন কমিশন অবশ্য SIR-সহ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, কমিশনের তিন সদস্যের মধ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।