পুবের কলম ওয়েবডেস্ক, দিল্লির যন্তর মন্তরে গান্ধীজয়ন্তীর দিন প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। বিশেষ নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন বা এসআইআর নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে আন্দোলনে নামে ছাত্র সংগঠন, রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।
আরও পড়ুন:
বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। নতুন দিল্লি জেলায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করে মিছিল, জমায়েত, স্লোগান, বক্তৃতা ও অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
যন্তর মন্তর ও আশপাশে পুলিশ, র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স এবং দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণের গাড়ি মোতায়েন করা হয়।আরও পড়ুন:
এর মধ্যেই যন্তর মন্তরে পৌঁছন দিল্লি আপের সভাপতি সৌরভ ভরদ্বাজ। তাঁকে আটক করা হয়। আপের আতিশী, সঞ্জীব ঝা-সহ অন্য নেতা-কর্মী এবং ছাত্র আন্দোলনকারীদেরও আটক করা হয়।
পুলিশের হিসাবে, যন্তর মন্তর ও আশপাশ থেকে প্রায় ৫০০ জনকে আটক করা হয়েছে।আরও পড়ুন:
বিক্ষোভের প্রভাব পড়ে মেট্রো ও রাস্তাতেও। জনপথ, প্যাটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, রাজীব চক, মণ্ডী হাউস, আইএনএ, নয়াদিল্লি-সহ ১১টি মেট্রো স্টেশনে প্রবেশ ও বেরোনোর পথ বন্ধ রাখা হয়; কয়েকটি স্টেশনে আন্তঃপরিবর্তনের সুবিধা চালু ছিল। কনট প্লেস, পার্লামেন্ট স্ট্রিট, টলস্টয় মার্গ-সহ এলাকায় যান চলাচলেও নিয়ন্ত্রণ জারি হয়।
আরও পড়ুন:
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, এসআইআরের মাধ্যমে ভোটার তালিকায় অনিয়ম হয়েছে এবং ভোটারদের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এআইএসএ, আরজেডি, আপ, এসএফআই, ডিওয়াইএফআই-সহ একাধিক সংগঠন জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি জানিয়েছে।