পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: দিল্লির বেলা এস্টেট এলাকার ৭০০-র বেশি বাসিন্দার নাম ভোটার তালিকা থেকে ছেঁটে ফেলার ঘটনায় নির্বাচন কমিশন ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেষ কুমারকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। ঘটনাটিকে 'ভোট চুরি'র আরও একটি জ্বলন্ত উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করে কংগ্রেস নেতা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদ ছাড়লেও "যে ব্যবস্থা তাঁকে দিয়ে এই কাজ করিয়েছে, তাকেও জবাব দিতে হবে।"
আরও পড়ুন:
পাল্টা জবাবে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার বিষয়টি ইতিমধ্যেই খতিয়ে দেখছেন এবং দাবি ও আপত্তি জানানোর সময়সীমা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচনের স্বার্থে কমিশন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ পোস্ট করে রাহুল গান্ধী প্রশ্ন তোলেন, বাসস্থান থাকা বা না থাকার ওপর কোনো নাগরিকের ভোটাধিকার নির্ভর করতে পারে না। রাহুল লেখেন, "সিইসি জ্ঞানেষ কুমার নিজেই বলেছিলেন যে গৃহহীনদের জন্য 'হাউস নম্বর ০' বরাদ্দ রয়েছে। তাও ৭২৭ জন মানুষের নাম তালিকা থেকে মুছে ফেলা হলো। এটা কোনো বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) নয়—এটা ভোট চুরিরই একটা কৌশল।
যাঁদের কাছে ইতিমধ্যেই সবচেয়ে কম সম্পদ রয়েছে, তাঁদের একমাত্র রাজনৈতিক ক্ষমতাটুকুও কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।"আরও পড়ুন:
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আগে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, বেলা এস্টেট এলাকায় ২০২২-২৩ সালে ঘরবাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছিল এবং অঞ্চলটির ভৌগোলিক ও আবাসিক অবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। কমিশন আরও জানিয়েছে, এটি চূড়ান্ত বাদ পড়া নয়। যেসব নাগরিকের নাম তালিকা থেকে বাদ গেছে, তাঁরা পুনরায় সঠিক নথিপত্র জমা দিয়ে নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে নির্বাচন কমিশনের এই আনুষ্ঠানিক যুক্তিতে শান্ত না হয়ে কেন্দ্র ও কমিশনের ওপর চাপ বজায় রাখছে কংগ্রেসসহ বিরোধী শিবির।