নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে তিন সপ্তাহের জন্য অন্তর্বর্তী জামিন দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের নির্দেশে এই জামিনে জেল থেকে বেরিয়ে নির্বাচনে লড়াই ও প্রচারে অংশ নিতে পারবেন তিনি। ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন।

আদালত অবশ্য জামিনের সঙ্গে একাধিক শর্ত দিয়েছে। ২০ অক্টোবর পর্যন্ত মিলনের অন্তর্বর্তী জামিন কার্যকর থাকবে এবং ২১ অক্টোবর তাঁকে আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে।

তাঁর বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলন-পর্বের একাধিক পুরনো মামলায় খুন, খুনের চেষ্টা, বেআইনি জমায়েত ও লুটপাটের মতো অভিযোগ রয়েছে।

এর আগে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ দিতে অন্তর্বর্তী জামিনের আর্জি জানিয়েছিলেন মিলন। শুনানিতে তাঁর আইনজীবীরা জানান, প্রার্থী হিসেবে প্রচারের জন্য তাঁকে জেলের বাইরে থাকা প্রয়োজন। রাজ্যের তরফে অবশ্য গুরুতর অভিযোগের কথা তুলে জামিনের বিরোধিতা করা হয়েছিল।

মিলন প্রধানকে ১৮ সেপ্টেম্বর পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারির পর তাঁর বিরুদ্ধে চলা পুরনো মামলাগুলির সময়কাল এবং নির্বাচনের আগে গ্রেফতারির বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে গ্রেফতারিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিযোগ করা হয়েছিল। এই অভিযোগ অবশ্য রাজ্য সরকারের অবস্থান নয়।

উল্লেখ্য, এর আগে হাই কোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ মিলনকে দেওয়া পৃথক আইনি সুরক্ষা খারিজ করে তাঁকে নিয়মিত জামিনের আবেদন করার নির্দেশ দিয়েছিল। পরে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদনটি শুনানি হয় এবং শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিতে তিন সপ্তাহের জামিন মঞ্জুর করা হয়।