পুবের কলম ওয়েবডেস্ক, ১৮৮৫ সালে ফ্রান্সের নয় বছরের শিশু জোসেফ মেইস্টারকে জলাতঙ্কে আক্রান্ত একটি কুকুর ১৪ বার কামড়েছিল। ছেলেকে বাঁচাতে মা মারি অ্যাঞ্জেলিক তাকে নিয়ে ছুটে যান বিজ্ঞানী লুই পাস্তুরের কাছে। তখনও মানুষের জন্য জলাতঙ্কের কোনো টিকা ছিল না। ঝুঁকি নিয়েই মেইস্টারকে প্রথমবার এই টিকা দেওয়া হয়।
১০ দিনে তাকে দেওয়া হয়েছিল ১৩টি টিকা। শেষ পর্যন্ত জলাতঙ্কে আক্রান্ত হয়নি শিশুটি।আরও পড়ুন:
সেই ঘটনা চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন পথ খুলে দেয়। পাস্তুরের গবেষণার ভিত্তিতেই পরে জলাতঙ্কের টিকা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতে শুরু করে।
আরও পড়ুন:
পাস্তুর শুধু জলাতঙ্কের টিকাই নয়, দুধ ও বিভিন্ন পানীয় নিরাপদ রাখার পদ্ধতি ‘পাস্তুরীকরণ’-এর উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে, এখনো বিশ্বের ১৫০টির বেশি দেশে প্রতিবছর প্রায় ৫৯ হাজার মানুষ জলাতঙ্কে মারা যান। এশিয়া ও আফ্রিকায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। বাংলাদেশও ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে। ২৮ সেপ্টেম্বর পাস্তুরের মৃত্যুবার্ষিকীতে পালিত হয় বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস।