পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: পরিদর্শনের সময় ভিডিও করায় এক যুবককে বিজেপি মন্ত্রী প্রবেশ বর্মার চড় মারার ঘটনাকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতিতে তুঙ্গে উঠল বিতর্ক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রের শাসকদলকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তাঁর অভিযোগ, এটি এমন এক অহংকারী শক্তির প্রতীক যা আর দেশের ভোটারদের ভয় পায় না।
আরও পড়ুন:
সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-এ একটি পোস্ট শেয়ার করে রাহুল গান্ধী লেখেন, "দিল্লির এক বিজেপি মন্ত্রীকে ভিডিওতে এক তরুণকে চড় মারতে দেখা যাচ্ছে।
তাঁর অপরাধ? তিনি ভিডিও করছিলেন। মন্ত্রীর চোখের সামনেই রাস্তা খোঁড়া হচ্ছিল, আর ওই তরুণের হাতে ক্যামেরা ছিল। এটি এমন এক ক্ষমতার মুখ যা আর ভোটারদের তোয়াক্কা করে না।"আরও পড়ুন:
সাম্প্রতিক একাধিক রাজনৈতিক ও সামাজিক ইস্যুকে একসূত্রে বেঁধে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন রাহুল। তিনি বলেন, রাস্তায় কোনো সাধারণ নাগরিক প্রশ্ন তুললে চড় উপহার দেওয়া হচ্ছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে শিক্ষার্থীরা সরব হলে তাঁদের ওপর নির্বিচারে লাঠিচার্জ করা হচ্ছে। সংসদে বিরোধীরা প্রশ্ন তুললে স্পিকারের মাইক বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
রাহুল গান্ধী দাবি করেন, "এই মানুষগুলো এগুলো করার সাহস পাচ্ছে কারণ তারা মনে করে নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের ক্ষমতাচ্যুত করা যাবে না। ভোট চুরি শুধু জয় এনে দেয় না, সঙ্গে নিয়ে আসে চরম অহংকার। যে সরকার জয়কে নিজের অধিকার বলে ধরে নেয়, তার জনগণের সম্মতির প্রয়োজন পড়ে না—তারা কেবল আপনার নীরবতা আর অন্ধ আনুগত্য চায়।"
আরও পড়ুন:
সম্প্রতি 'দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'-এর একটি রিপোর্টের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন কংগ্রেস সাংসদ। ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (SIR) ক্ষেত্রে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেষ কুমারের একাধিক নির্দেশ ও সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ১০ মাসে ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছিলেন অন্য দুই নির্বাচন কমিশনার। রাহুলের বক্তব্য, এই ধরনের 'ভোট চুরি'র সুবাদেই বিজেপি নেতাদের মধ্যে এমন অন্যায্য আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছে।