পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: দু’দিনের সফরে সৌদি আরব যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) । আগামী সপ্তাহে ২২-২৩ এপ্রিল সেখানে যাচ্ছেন তিনি। সৌদির প্রধানমন্ত্রী তথা সে দেশের যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সলমনের আমন্ত্রণে সৌদি সফর মোদির। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে এই নিয়ে তৃতীয় বার সৌদি আরব যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে ২০১৬ সালে এবং ২০১৯ সালে সে দেশে গিয়েছিলেন তিনি।
আরও পড়ুন:
২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে এসেছিলেন সৌদির যুবরাজ। ওই সময়েই ভারত এবং সৌদি আরবের কৌশলগত অংশীদারি পরিষদের প্রথম বৈঠক হয়েছিল। ওই বৈঠকের প্রায় দেড় বছরের মাথায় প্রধানমন্ত্রী মোদির সৌদিযাত্রা এই সফরের গুরুত্বকে আরও বৃদ্ধি করেছে। ভারত ও সৌদি আরবের মধ্যে ঐতিহাসিক বাণিজ্য এবং দীর্ঘস্থায়ী সামাজিক-সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে। দুই দেশ রাজনৈতিক, প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে বলে এক সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন: ছত্তীশগড়ে চুরির অভিযোগে দুই শ্রমিককে মারধর, নখ উপড়ে, বৈদ্যুতিক শক দিয়ে অত্যাচার
আরও পড়ুন:
ভারতের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে সৌদি আরব সফরে যান। দ্বিপাক্ষিক নৌ মহড়া 'আল মোহেদ আল হিন্দি' অনুষ্ঠিত হয়। সৌদি নৌবাহিনীর প্রধান ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ভারতে প্রথমবার আসেন। গতবছর প্রথমবার ভারত-সৌদি যৌথ স্থলবাহিনীর মহড়া 'এক্স-সাদা তানসিক-১' ২৯ জালুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজস্থানে অনুষ্ঠিত হয়।
আরও পড়ুন:
মক্কায় ভারতীয়দের হজযাত্রা নিয়ে জটিলতা তৈরি হলেও কিছুদিন আগেই তা কেটেছে।
হজযাত্রীদের ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে সম্প্রতি বেশ কিছু পদক্ষেপ করেছে সৌদি সরকার। গত সপ্তাহে আরও ১০ হাজার ভারতীয় হজযাত্রায় যেতে পারবেন বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া সৌদি প্রশাসন। গত মঙ্গলবার কেন্দ্রের সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রক জানিয়েছে বিষয়টি নিয়ে সৌদি আরবের সঙ্গে কথা বলা হবে। এর পরেই হজ পোর্টাল খোলার সিদ্ধান্ত নেয় সৌদি আরব। ঘটনাচক্রে এই জটিলতা কাটতে না কাটতেই সৌদির যুবরাজ তথা প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে দু’দিনের সফরে সে দেশে যাচ্ছেন মোদি। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর সৌদি আরবের সঙ্গে ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কতটা মজবুত হয়, সেদিকে তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল। এই সফর আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে দু'দেশের মধ্যে আলোচনার দরজা খুলে দেবে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।আরও পড়ুন: