ক্লাস শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই স্কুলের ভিতর এলোপাথাড়ি গুলিতে প্রাণ গেল অন্তত ছয়জনের। আহত হয়েছেন আরও প্রায় ১৫ জন। ভয়াবহ এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে পড়ুয়া, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকদের মধ্যে। ঘটনাটি ঘটেছে থাইল্যান্ডের নন্থাবুরি প্রদেশের ব্যাং ক্রুয়াই এলাকার দেবসিরিন স্কুলে।
আরও পড়ুন:
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মতো শুক্রবার সকালেও স্কুলে ক্লাস শুরু হয়েছিল। হঠাৎ করেই স্কুল চত্বরে গুলির শব্দ শোনা যায়। অভিযোগ, নবম শ্রেণির এক নাবালক ছাত্র বন্দুক বের করে পড়ুয়া ও শিক্ষকদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে।
আরও পড়ুন:
গুলির শব্দে মুহূর্তের মধ্যে স্কুলের ভিতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
প্রাণ বাঁচাতে পড়ুয়া ও শিক্ষক-শিক্ষিকারা ছোটাছুটি শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এক শিক্ষক এগিয়ে এলে তাঁকেও গুলি করা হয় বলে জানা গিয়েছে।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, হামলার পর অভিযুক্ত নাবালক আত্মঘাতী হয়েছে।
ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।আরও পড়ুন:
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, অভিযুক্ত তার দাদুর বন্দুক নিয়ে স্কুলে এসেছিল। স্কুলে যাওয়ার আগে বাড়িতেই সে তার দাদু ও দিদাকে হত্যা করেছিল বলে তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান।
আরও পড়ুন:
তবে কেন ওই নাবালক এমন ভয়াবহ হামলা চালাল, তার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার নেপথ্যে ব্যক্তিগত কোনো কারণ, মানসিক চাপ নাকি অন্য কোনো বিষয় রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী দল।
আরও পড়ুন:
স্কুলের ভিতরে এমন ভয়াবহ হামলায় গোটা এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। নিহত ও আহতদের পরিচয় এবং ঘটনার বিস্তারিত কারণ জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।