০৭ মার্চ ২০২৬, শনিবার, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আপ নেতা সত্যেন্দ্র জৈনের অন্তর্বর্তী জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধি, নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: আপ নেতা সত্যেন্দ্র জৈনের অন্তর্বর্তী জামিনের মেয়াদ ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধির নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। গত বছরের ৩০ মে সত্যেন্দ্রকে গ্রেফতার করে ইডি। বিচারপতি এএস বোপান্না এবং এমএম সুন্দ্রেশের একটি বেঞ্চ সত্যেন্দ্র জৈনের মেডিকেল রিপোর্ট পর্যবেক্ষণ করার পর এই রায় দেয়। অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এসভি রাজু, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের পক্ষে উপস্থিত হয়ে অন্তর্বর্তী জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন।

আর্থিক তছরুপের মামলায় জেলবন্দি হওয়ার পর থেকেই অসুস্থতার কথা জানিয়েছিলেন সত্যেন্দ্র। মাঝে অবসাদের কথা জানানোর পর জেলে সঙ্গীর ব্যবস্থা করেছিল কারা কর্তৃপক্ষ। ওই ঘটনায় তিহাড়ের ৭ নম্বর জেলের সুপারিন্টেন্ডেন্টকে শোকজ করা হয়েছিল। তবে পরপর দু’বার দিল্লির প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে পড়ে যাওয়ায় জেলের অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। গত ১৫ মে সুপ্রিম কোর্টে জামিনের আবদেন করেছিলেন সত্যেন্দ্র জৈন। দিল্লি হাই কোর্টে আর্থিক তছরূপ মামলায় জামিনের আবেদন খারিজ করার পরেই শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। যদিও প্রাথমিকভাবে সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায়। পরে আপ নেতাকে ছয় সপ্তাহের জন্য অন্তর্বর্তী জামিন দেয় শীর্ষ আদালত। পরে ২৬ মে শীর্ষ আদালত চিকিৎসার ভিত্তিতে জৈনকে ছয় সপ্তাহের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করে।
আদালত সেই সময় বলে, একজন নাগরিকের নিজের খরচে একটি ব্যক্তিগত হাসপাতালে তার পছন্দের চিকিৎসা নেওয়ার অধিকার রয়েছে।

২৪ জুলাই শীর্ষ আদালত সত্যেন্দ্র জৈনকে পাঁচ সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের মেয়াদ বাড়িয়েছিল।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

৩৮ জন জামিয়া মিল্লিয়া ইসলামিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী ২০২৫ সালের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আপ নেতা সত্যেন্দ্র জৈনের অন্তর্বর্তী জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধি, নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

আপডেট : ২৫ অগাস্ট ২০২৩, শুক্রবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: আপ নেতা সত্যেন্দ্র জৈনের অন্তর্বর্তী জামিনের মেয়াদ ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধির নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। গত বছরের ৩০ মে সত্যেন্দ্রকে গ্রেফতার করে ইডি। বিচারপতি এএস বোপান্না এবং এমএম সুন্দ্রেশের একটি বেঞ্চ সত্যেন্দ্র জৈনের মেডিকেল রিপোর্ট পর্যবেক্ষণ করার পর এই রায় দেয়। অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এসভি রাজু, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের পক্ষে উপস্থিত হয়ে অন্তর্বর্তী জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন।

আর্থিক তছরুপের মামলায় জেলবন্দি হওয়ার পর থেকেই অসুস্থতার কথা জানিয়েছিলেন সত্যেন্দ্র। মাঝে অবসাদের কথা জানানোর পর জেলে সঙ্গীর ব্যবস্থা করেছিল কারা কর্তৃপক্ষ। ওই ঘটনায় তিহাড়ের ৭ নম্বর জেলের সুপারিন্টেন্ডেন্টকে শোকজ করা হয়েছিল। তবে পরপর দু’বার দিল্লির প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে পড়ে যাওয়ায় জেলের অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। গত ১৫ মে সুপ্রিম কোর্টে জামিনের আবদেন করেছিলেন সত্যেন্দ্র জৈন। দিল্লি হাই কোর্টে আর্থিক তছরূপ মামলায় জামিনের আবেদন খারিজ করার পরেই শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। যদিও প্রাথমিকভাবে সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায়। পরে আপ নেতাকে ছয় সপ্তাহের জন্য অন্তর্বর্তী জামিন দেয় শীর্ষ আদালত। পরে ২৬ মে শীর্ষ আদালত চিকিৎসার ভিত্তিতে জৈনকে ছয় সপ্তাহের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করে।
আদালত সেই সময় বলে, একজন নাগরিকের নিজের খরচে একটি ব্যক্তিগত হাসপাতালে তার পছন্দের চিকিৎসা নেওয়ার অধিকার রয়েছে।

২৪ জুলাই শীর্ষ আদালত সত্যেন্দ্র জৈনকে পাঁচ সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের মেয়াদ বাড়িয়েছিল।