পরপর তিন দিন বিভিন্ন মামলায় তদন্তকারী সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। মঙ্গলবার ‘ডিজে মন্তব্য’ সংক্রান্ত মামলায় সিআইডির তলবে সাড়া দিয়ে ভবানীভবনে হাজির হন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।
এদিন সকাল থেকে ভবানীভবন চত্বরে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। বেলা ১১টা ৪৫ মিনিট নাগাদ কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে সিআইডি দপ্তরের উদ্দেশে রওনা দেন অভিষেক।
আরও পড়ুন:
তদন্তকারী সূত্রে খবর, এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইতিমধ্যেই একাধিক প্রশ্ন প্রস্তুত করা হয়েছে। বেশ কয়েকজন আধিকারিক পর্যায়ক্রমে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। তাঁর বয়ানও রেকর্ড করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন:
এর আগে বিধানসভার সই জালিয়াতি মামলায় দু'দফা ভবানীভবনে সিআইডির জেরার মুখে পড়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। সোমবার আবার প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রায় ১১ ঘণ্টা ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বিজেপিকে উদ্দেশ করে দেওয়া অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্য ঘিরেই এই বিতর্কের সূত্রপাত। তিনি বলেছিলেন, আগামী ৪ মে-র পর তৃণমূল ফের ক্ষমতায় এলে বিজেপি নেতাদের বাড়ির সামনে ডিজে বাজানো হবে।
এই মন্তব্যের বাচনভঙ্গি ও শব্দচয়নকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয় এবং প্রথমে বিধাননগর সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরে মামলার তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়।আরও পড়ুন:
গত শুক্রবার তদন্তকারীরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়ে সমনের নোটিস প্রদান করেন। সেই নোটিসের ভিত্তিতেই মঙ্গলবার ভবানীভবনে হাজিরা দেন তিনি।
এদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আগমনের আগেই ভবানীভবনে পৌঁছেছিলেন মামলাকারী রাজীব সরকার। তিনি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে তদন্তকারী আধিকারিকদের কাছে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন। পাশাপাশি, প্রয়োজন হলে পরবর্তী সময়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানান তিনি।