পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের নতুন কৌশল ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে বাংলা তথা দেশের রাজনীতিতে। বিদ্রোহী সাংসদরা আগেই এনডিএ-কে সমর্থন করার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। এবার তাঁরা ত্রিপুরা ভিত্তিক রাজনৈতিক দল এনসিপিআই বা ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন পার্টি অফ ইন্ডিয়াতে যোগ দিতে চলেছেন। তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী এমনটাই জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
বাঁকুড়ার সাংসদ জানান, ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এনসিপিআইয়ে যোগদানের পর বাংলায় দলের নতুন অফিস খোলা হবে বলেও তিনি নিশ্চিত করেছেন। যদিও বাংলায় এনসিপিআইয়ের অস্তিত্ব কার্যত নেই বললেই চলে। এটি মূলত ত্রিপুরার একটি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল।
বর্তমানে এই দলের অস্তিত্ব রয়েছে অসম, ত্রিপুরা সহ উত্তর-পূর্ব ভারতের কিছু নির্দিষ্ট রাজ্যে। ২০২৩ সালে ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল এই দলটি। যার মধ্যে উনাকোটি জেলার কৈলাসাহার কেন্দ্র থেকে এনসিপিআই-এর টিকিটে ভোটে লড়েছিলেন তাদের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলী।আরও পড়ুন:
সূত্রের খবর, তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা রবিবার দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা উপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
ত্রিপুরার বিজেপি সাংসদ বিপ্লব কুমার দেবও এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। সেখানে এনসিপিআই-এ যুক্ত হওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব সামনে আসে। এর পাশাপাশি বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদরা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বাসভবনে গিয়েও তাঁর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন।আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, দিল্লিতে যাওয়ার আগে সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানিয়েছিলেন যে, ২০ জন নয়, বরং তাদের সঙ্গে রয়েছেন মোট ২২ জন সাংসদ। যদিও বাকি দুজনের নাম এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তবে বিদ্রোহী সাংসদদের তালিকায় রয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, বাপি হালদার, শর্মিলা সরকার, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, জগদীশ বর্মা বসুনিয়া, অসিত কুমার মাল, অরূপ চক্রবর্তী, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষ, খলিলুর রহমান, আবু তাহের খান, ইউসুফ পাঠান, মিতালী বাগ, মালা রায়, কালিপদ সোরেন, জুন মালিয়া, পার্থ ভৌমিক এবং সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।