নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ ঘিরে মঙ্গলবার সকাল থেকেই বিক্ষিপ্ত অভিযোগ সামনে এসেছে। নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান অভিযোগ করেন, তাঁর দলের পোলিং এজেন্টদের কয়েকটি বুথে বসতে দেওয়া হচ্ছে না। বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করে ভোট শান্তিপূর্ণভাবে চলছে বলে দাবি করেছেন।

রেজিনগরে ভোট শুরুর পর পুলিশের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে আটক হন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে একাধিক অভিযোগও তোলেন তিনি।

ঘটনাটি নিয়ে নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়।

নন্দীগ্রামে ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দাবি করেন, এখনও পর্যন্ত ভোটের হার সন্তোষজনক এবং উপনির্বাচনে প্রায় ৮৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে। ২০১৬ সালের নন্দীগ্রামের জয়ের ব্যবধানের প্রসঙ্গ তুলে তিনি এবার সেই রেকর্ড ভাঙার আশা প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে নির্বাচনের ফল নিয়ে নিজের আত্মবিশ্বাসের কথাও জানান।

হুমায়ুন কবির প্রসঙ্গে তিনি বললেন, “আইন সবার জন্য সমান। ভোট কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে ঘোরাফেরা করা যায় না। নওদার বিধায়ক আইন ভেঙেছেন, তাই গ্রেপ্তার হয়েছেন।”

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “উপনির্বাচনে সাধারণত কম ভোট পড়ে। নন্দীগ্রামে শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছে।

আমি মুখ্যমন্ত্রী, সরকারি নিরাপত্তা পাই। আইন সকলের মেনে চলা উচিত। আমি ভোট দেওয়ার পর ভাড়া ঘরে থাকতে পারি। বুথের বাইরে যাওয়া, প্রচার করার সুযোগ নেই। আমি সেসব করব না।”