মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং এসআইআর স্থগিতের দাবিতে আন্দোলন আরও জোরদার করার বার্তা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। দলের নেতা অভিজিৎ দীপকের বক্তব্য, জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে ভোটে অংশ নেওয়ার অর্থ নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। সম্প্রতি তিনি দাবি করেছেন, ২০২৫ সালের ভোটার তালিকা দিয়ে নির্বাচন করানো হোক। তবে এগুলি ককরোচ জনতা পার্টির রাজনৈতিক দাবি ও বক্তব্য।

১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তরমন্তরে ফের বড়সড় বিক্ষোভের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। দলটির দাবি, এসআইআর এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তাদের আন্দোলন চলবে। এর আগে ২ অক্টোবর দিল্লিতে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন সংগঠনের বিক্ষোভে পাঁচ শতাধিক মানুষকে আটক করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

এদিকে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অবসরপ্রাপ্ত আমলা ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের একটি গোষ্ঠী ‘পিপলস নোটিস অব ইমপিচমেন্ট’ প্রকাশ করেছে।

ওই নোটিসে নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম, ফর্ম ৬ পরিবর্তন, এসআইআর-এর মাধ্যমে ভোটাধিকার হ্রাস এবং নির্বাচন ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে ছয়টি অভিযোগ তোলা হয়েছে। প্রাক্তন দিল্লির উপরাজ্যপাল নাজীব জং-সহ একাধিক প্রাক্তন আমলা এই উদ্যোগে যুক্ত রয়েছেন।

অন্যদিকে, এসআইআর নিয়ে দায়ের হওয়া মামলায় সুপ্রিম কোর্ট জ্ঞানেশ কুমার ও নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব চেয়েছে। তবে আপাতত মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে পদ থেকে সরানোর অন্তর্বর্তী আবেদন খারিজ করেছে শীর্ষ আদালত।