আরও পড়ুন:
পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: “ শিব ঠাকুরের আপন দেশে আইন কানুন সর্বনেশে” এমনটাই বলা হয়ত সঙ্গত হবে । মহিলা আইনজীবীরা খোলা চুলে কোর্টরুমে প্রবেশ করতে এবং চুল ঠিক করতে পারবেননা। কারণ এরফলে ব্যাহত হচ্ছে আদালতের কাজ। পুনে আদালতের এই হেন নোটিশে বেজায় চটেছেন মহিলা আইনজীবীরা। গত ২০ অক্টোবর এই নোটিশ দাখিল করেছে পুনে জেলা আদালত।
আরও পড়ুন:
https://twitter.com/IJaising/status/1584217952114483200?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1584217952114483200%7Ctwgr%5E7a84d2bd7f2685305c6d58ab2d277feb851f84cc%7Ctwcon%5Es1_c10&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.india.com%2Fviral%2Fviral-news-pune-court-asks-women-lawyers-to-refrain-from-arranging-hair-courtroom-sparks-online-outrage-5704045%2F
আরও পড়ুন:
এই নোটিশের ছবি ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। নোটিশে বলা হয়েছে "বারবার লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে মহিলা আইনজীবীরা খোলা চুলে আদালতে প্রবেশ করছেন। তাঁদের খোলা চুল আদালতের কার্যক্রমকে ব্যাহত করছে। তাই,মহিলা আইনজীবীদের খোলা চুলে আদালতে প্রবেশ করা থেকে বিরত থাকার জন্য অবহিত করা হচ্ছে," ।
আরও পড়ুন:
এই নোটিশের ছবি ভাইরাল হওয়ার পর নেটিজেনরা তীব্র সমালোচনা করছেন এই ধরনের মধ্যযুগীয় মানসিকতার। সাংবাদিক রঞ্জনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন এটি একেবারেই অযৌক্তিক নোটিশ। প্রখ্যাত লেখিকা মীরা কামদার বলেছেন “এই হেন নোটিশ অবিশ্বাস্য"। মানবাধিকার আইনজীবী সোনালি শেলার বলেন , "সমাজ যে পরিমাণে মহিলাদের নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে তাতে আমি সর্বদা বিস্মিত হই।
আরও পড়ুন:
তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত পুনের আদালত এই নোটিশ প্রত্যাহারে বাধ্য হয়।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক পুনের জেলা আদালতের এক কর্মী বলেছেন বিতর্ক এড়াতে নোটিশটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। ভাবাবেগে আঘাত করা কোনমতেই উদ্দেশ্য ছিলনা।চুল খোলা থাকলে তা নানা সমস্যার সৃষ্টি করে, মহিলারা চুল ঠিক করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। অসুবিধার কথা মাথায় রেখেই এই নোটিশটি দেওয়া হয়েছিল। যাইহোক আপাতত নোটিশটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। পুনের বার অ্যাসোসিয়েশন অবশ্য এই ইস্যুতে কোন বিবৃতি দেয়নি।আরও পড়ুন: