পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: ১৩ দিন! উত্তরকাশীতে টানেল বিপর্যয় এখনও আটকে রয়েছে ৪১ জন শ্রমিক। জোর কদমেও উদ্ধারকাজ চললেও এখনও তাদের টানেল থেকে বের করা সম্ভব হয়নি। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযানের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য ড্রোন ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
উত্তরকাশী জেলাশাসক অভিষেক রুহেলা জানিয়েছেন, জোরকদমে উদ্ধারকাজ চলছে। কেন্দ্র ও রাজ্য একসঙ্গে কাজ করছে। তবে কবে উদ্ধার হবে এখনই বলা সম্ভব নয়।
আরও পড়ুন:
গত ১২ নভেম্বর উত্তরকাশীর সিল্কিয়ারা টানেলে ধসে আটকে পড়েন শ্রমিক।
প্রিয় মানুষগুলিকে জীবিত অবস্থায় দেখার জন্য পরিবারগুলির উদ্বেগ নিয়ে অপেক্ষা করে চলেছেন। গোটা ঘটনার তদারকিতে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘটনার খোঁজ খবর রাখছেন। উদ্ধারে রয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দলের ১৫ জনের উদ্ধারকারি দল।আরও পড়ুন:
স্কোয়াড্রন ইনফ্রা অ্যান্ড মাইনিং প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সিইও সাইরিয়াক জোসেফ বলেছেন, “আমাদের প্রথম কাজ হল আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার। অভিযানের পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য আমরা ড্রোনের সাহায্য নিয়েছি। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ড্রোন দিয়ে জিপিএস-এর মাধ্যমে এই অভিযান চলছে।
আরও পড়ুন:
অ্যাসোসিয়েট লিড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ার আসিফমুল্লা বলেন, ড্রোনটি সর্বাধুনিক প্রযুক্তির এবং ভূগর্ভস্থ মাইন ও টানেলের জন্য ব্যবহার করা হয়। আমরা উদ্ধার কার্যে সহযোগিতায় বেঙ্গালুরু থেকে এখানে এসেছি। ড্রিলিং চলছে এবং আমরা সবাই শ্রমিকদের টানেল থেকে উদ্ধারের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছি।"
আরও পড়ুন: