পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: শনিবার পবিত্র আল আকসা মসজিদে হামলা এবং অবৈধ বসতি স্থাপনের জবাব দিতে ইসরাইলে হামলা শুরু করে হামাস। অভিযানের নাম ‘অপারেশেন আল-আকসা স্টর্ম’। হামাসের একজন সিনিয়র সামরিক কমান্ডার হামাস সংবাদমাধ্যম সম্প্রচারে অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন, ফিলিস্তিনিদের সর্বত্র লড়াই করার আহ্বান জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এর আগে গাজা থেকে নজিরবিহীন হামলার পর পাঁচ শতাধিক লোক আহত হওয়ার সঙ্গে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা ২২ বলে জানিয়েছিল।
স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, কমপক্ষে ৪০ জন নিহত এবং ৭০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছে। অন্যদিকে শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা বলছেন। স্থানীয় ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের মতে, গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় ১৬১ জন নিহত এবং এক হাজার আহত হয়েছে।আরও পড়ুন:
এমন অবস্থায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা যুদ্ধের মধ্যে আছি, এটা কোন অভিযান নয়, কোন উত্তেজনা নয়, এটা যুদ্ধ।
’আরও পড়ুন:
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইসরায়েল ‘যুদ্ধরত’ বলে প্রতিজ্ঞা করেছে, গাজার শাসক হামাসকে ‘এমন মূল্য দিতে হবে, যা তারা কখনো জানে না’।
আরও পড়ুন:
গাজা থেকে রকেট নিক্ষেপ করায় বিদ্রোহীরা ভোরের পরপরই ঘেরের বেড়া অতিক্রম করে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলেছে, কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান গাজায় হামাসের ঘাঁটিতে বিমান হামলা চালাচ্ছে এবং তারা কয়েক হাজার সংরক্ষিত সেনাকে একত্র করেছে। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, হামলায় অন্তত একজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
শনিবার ইহুদি বিশ্রামের দিন এবং সিমচাত তোরাহ উৎসবের দিন ভোরের পর গাজা থেকে রকেট হামলা শুরু হয়। এ সময় ইসরায়েলজুড়ে সাইরেন বেজে ওঠে এবং সামরিক বাহিনী ঘোষণা করে, ‘সন্ত্রাসীরা’ ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ‘বিভিন্ন স্থানে’ অনুপ্রবেশ করেছে। তারা দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলীয় এলাকার বেসামরিক নাগরিকদের আশ্রয়কেন্দ্রের পাশে এবং গাজার আশপাশের এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্রের ভেতরে থাকতে বলেছে।আরও পড়ুন:
একটি ভিডিওতে একই বিদ্রোহীরা গাজা থেকে মাত্র ১.৬ কিলোমিটার দূরে শহরের রাস্তায় ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলি করছে বলে মনে হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
ফিলিস্তিনি সংবাদ মাধ্যমে অসমর্থিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেশ কয়েকজন ইসরায়েলিকে বিদ্রোহীরা বন্দি করেছে। গাজায় ফিলিস্তিনিদের ইসরায়েলি সামরিক যান চালানোর ফুটেজও প্রচারিত হয়েছে। এদিকে দক্ষিণ ইসরায়েলের একটি আঞ্চলিক পরিষদের নেতা ওফির লিবস্টেইন তার সম্প্রদায়কে রক্ষা করতে গেলে বিদ্রোহীদের সঙ্গে গোলাগুলিতে নিহত হন।
আরও পড়ুন: