০৫ মার্চ ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জনসনের পাউডারে ক্যানসারের উপাদান, ৮.৯ বিলিয়ন ডলারে সুরাহার চেষ্টা

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: ‘জনসন অ্যান্ড জনসন’ বেবি পাউডার ঘিরে কয়েক বছর ধরেই বিতর্ক চলছে। জনসনের পাউডারে অ্যাসবেস্টসের নমুনা পাওয়া গেছে, যা শিশুদের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। যার ফলে হতে পারে ক্যানসার। এমন দাবি ঘিরেই চলছে বিতর্ক। এ নিয়ে হয়েছে মামলাও। এবার এসব মামলা নিষ্পত্তি করতে ৮৯০ কোটি মার্কিন ডলারের মাধ্যমে সমঝোতার প্রস্তাব দিয়েছে জনসন অ্যান্ড জনসন। ওই অর্থ সব মামলাকারীদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে বলে সংস্থাটি প্রস্তাব দিয়েছে। যদিও জনসন অ্যান্ড জনসন শুরু থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। বরং তারা বলছে, যে অভিযোগ উঠেছে তার সপক্ষে তেমন কোনো মজবুত বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

৩৫ হাজার নারী জরায়ুর ক্যান্সারের জন্য জনসনকে দায়ী করে মামলা দায়ের করেন। তারা সবাই এই পাউডার ব্যবহার করতেন। মামলার পর থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্রমেই কমতে শুরু করে পাউডারটির চাহিদা।

আমেরিকার একটি আদালত এই সংস্থাকে ১৫ হাজার কোটি টাকা জরিমানার ‘সাজা’ দিয়েছিলেন। কিন্তু শিশুপণ্যে এমন ক্ষতিকারক পদার্থ থাকা উচিত নয় জানিয়ে আদালত বলেছে, এই অপরাধের শাস্তি শুধু অর্থের জরিমানাতেই শেষ হতে পারে না।

২০১৫ সালে ওভারিয়ান ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ৬২ বছরের জ্যাকি ফক্স। জ্যাকির পরিবার জানায়, দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে জনসন অ্যান্ড জনসন-এর ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করেছেন তিনি। তারা অভিযোগ করেন, জ্যাকির এই মারণরোগের কারণ ওই পাউডারই।

সর্বধিক পাঠিত

পরিকল্পিতভাবে মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, বড়মার প্রয়াণ দিবসে মতুয়া আবেগে বিজেপিকে নিশানা মমতার

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জনসনের পাউডারে ক্যানসারের উপাদান, ৮.৯ বিলিয়ন ডলারে সুরাহার চেষ্টা

আপডেট : ৮ এপ্রিল ২০২৩, শনিবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: ‘জনসন অ্যান্ড জনসন’ বেবি পাউডার ঘিরে কয়েক বছর ধরেই বিতর্ক চলছে। জনসনের পাউডারে অ্যাসবেস্টসের নমুনা পাওয়া গেছে, যা শিশুদের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। যার ফলে হতে পারে ক্যানসার। এমন দাবি ঘিরেই চলছে বিতর্ক। এ নিয়ে হয়েছে মামলাও। এবার এসব মামলা নিষ্পত্তি করতে ৮৯০ কোটি মার্কিন ডলারের মাধ্যমে সমঝোতার প্রস্তাব দিয়েছে জনসন অ্যান্ড জনসন। ওই অর্থ সব মামলাকারীদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে বলে সংস্থাটি প্রস্তাব দিয়েছে। যদিও জনসন অ্যান্ড জনসন শুরু থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। বরং তারা বলছে, যে অভিযোগ উঠেছে তার সপক্ষে তেমন কোনো মজবুত বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

৩৫ হাজার নারী জরায়ুর ক্যান্সারের জন্য জনসনকে দায়ী করে মামলা দায়ের করেন। তারা সবাই এই পাউডার ব্যবহার করতেন। মামলার পর থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্রমেই কমতে শুরু করে পাউডারটির চাহিদা।

আমেরিকার একটি আদালত এই সংস্থাকে ১৫ হাজার কোটি টাকা জরিমানার ‘সাজা’ দিয়েছিলেন। কিন্তু শিশুপণ্যে এমন ক্ষতিকারক পদার্থ থাকা উচিত নয় জানিয়ে আদালত বলেছে, এই অপরাধের শাস্তি শুধু অর্থের জরিমানাতেই শেষ হতে পারে না।

২০১৫ সালে ওভারিয়ান ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ৬২ বছরের জ্যাকি ফক্স। জ্যাকির পরিবার জানায়, দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে জনসন অ্যান্ড জনসন-এর ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করেছেন তিনি। তারা অভিযোগ করেন, জ্যাকির এই মারণরোগের কারণ ওই পাউডারই।